Darjeeling News: দার্জিলিঙয়ের চা বাগান দেখে মুগ্ধ আমেরিকান দম্পতি, এরপরেই খুদেদের জন্য নেন বড় উদ্যোগ
- Reported by:Sujoy Ghosh
- Published by:Purnendu Mondal
Last Updated:
চা বাগানের বাচ্চাদের পড়াশোনা অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা পালন করেছে আমেরিকা বাসিন্দা মাইক।
দার্জিলিং: কথায় আছে ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। সেই অর্থেই সুদুর আমেরিকা থেকে এসে চা বাগানের বাচ্চাদের জন্য তৈরি করেছেন আস্ত একটি লাইব্রেরী। চারিদিকে পাহাড়ের কোলে এই ছোট্ট লাইব্রেরীতে রয়েছে প্রচুর বইয়ের সম্ভার যেখানে দিনের পর দিন চা বাগানের বাচ্চারা আসছে এবং তাদের পছন্দের বই পড়ছে, কেউ চাইলে বাড়িতেও পড়ার জন্য বই নিয়ে যেতে পারে এই লাইব্রেরী থেকে। তবে কে সেই ব্যক্তি এবং কোথায় বা রয়েছে এই লাইব্রেরী জানলে চমকে যাবেন আপনি।
দার্জিলিং তো অনেক গিয়েছেন তবে জানেন কি দার্জিলিং যাওয়ার পথে কার্শিয়াংয়ের পাংখাবাড়ি রোডে বিশ্বের সবথেকে পুরনো মাকাইবাড়ি চা বাগানে রয়েছে এই লাইব্রেরি। জানা গিয়েছে, আমেরিকার বাসিন্দা মাইক এবং তার স্ত্রী দার্জিলিং ভ্রমণে এসে বিশ্ব বিখ্যাত এই মাকাইবাড়ির চা বাগান তাদের মনকে মুগ্ধ করেছে। এরপরেই এখানে থাকাকালীন তাদের মাথায় আসে চা বাগানের বাচ্চাদের জন্য একটি লাইব্রেরী তারা তৈরি করবেন। এরপরেই চা বাগান কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তায় ২০০৭ সালে তারা এই লাইব্রেরীটি তৈরি করেন, চা বাগানের মাঝে রাস্তার ধারে তৈরি হয় একটি ছোট্ট লাইব্রেরী। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা প্রণয় ভুজেল বলেন, চা বাগানের বাচ্চাদের পড়াশোনা অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা পালন করেছে আমেরিকা বাসিন্দা মাইক। তার উদ্যোগে তৈরি এই লাইব্রেরী বর্তমানে সকলের মনে জায়গা করে নিয়েছে। লাইব্রেরী জুড়ে বিভিন্ন ধরনের বই থেকে শুরু করে কম্পিউটার সমস্ত কিছুর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তিনি তার এই উদ্যোগে খুশি গ্রামের সকলেই।
advertisement
advertisement
অন্যদিকেই প্রসঙ্গে মাইক বলেন, আমি এই মাকাইবাড়ি চা বাগানে এক বছর ছিলাম এখানে বাচ্চাদের পড়িয়েছি, তাদের সঙ্গে ছবি আঁকিয়েছি এবং আমার স্ত্রী সে বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসত, সেই থেকে মাথায় আসে এই চা বাগানের বাচ্চাদের জন্য একটি লাইব্রেরী তৈরি করব। এরপরেই বাগান মালিকের সঙ্গে কথা বলতে তারা লাইব্রেরী তৈরির জায়গা দেয়। তারপরেই এই লাইব্রেরী তৈরি হয় এবং প্রথমদিকে কিছু কিছু বই থাকলেও বর্তমানে প্রচুর বই রয়েছে এই লাইব্রেরীতে এবং এই লাইব্রেরী তৈরিতে আমার বাবা মায়ের ও যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
advertisement
পাহাড়ের কোলে চা বাগানে ঘেরা এই লাইব্রেরীতে বই পড়তে ছুটে আসে কচিকাঁচারা। বর্তমানে তাদের কাছে এ জায়গাটি অত্যন্ত পছন্দের পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকা থেকে চলে বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটিস।
সুজয় ঘোষ
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Nov 18, 2024 7:50 PM IST









