corona virus btn
corona virus btn
Loading

২৩ ঘণ্টা পর ঘেরাও মুক্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার

২৩ ঘণ্টা পর ঘেরাও মুক্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার

শুক্রবার দুপুরে ঘেরাও আন্দোলন থেকে পিছু হটল তৃণমূল প্রভাবিত কর্মচারী সংগঠন

  • Share this:

 #মালদহ: একটানা ২৩ ঘণ্টা পর অবশেষে ঘেরাও মুক্ত হলেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি। শুক্রবার দুপুরে ঘেরাও আন্দোলন থেকে পিছু হটল তৃণমূল প্রভাবিত কর্মচারী সংগঠন।

কর্তৃপক্ষের কড়া মনোভাবে শেষ পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে এদিনই কাজে ফিরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মী। এর আগে আন্দোলনের সময়ে ডেপুটি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে সাসপেণ্ড করেছে কর্তৃপক্ষ। বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরণ, নিয়োগপত্র প্রদান সহ একাধিক দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মী আন্দোলনের জেরে কার্যত অচল হয়ে পরে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। গত নভেম্বরে এক মাস ধরে কর্মবিরতি করেছিলেন কর্মীরা। এরপর কিছু দাবিদাওয়া মেনে নেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু , যে হারে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা নিয়ে ফের শুরু হয় কর্মী বিক্ষোভ। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে গেলে বাঁধা দেওয়া হয় রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার  সাদেক আলিকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলে অভিযোগ। রেজিস্ট্রার দাবি পূরণ করতে না পারায় রাতভর চলে ঘেরাও।

এরপর কড়া অবস্থান নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে হেনস্থা করার অভিযোগে কার্তিক রায় নামে এক অস্থায়ী কর্মীকে রাতেই কর্তৃপক্ষ সাসপেণ্ড করে। এরপরেও চলতে থাকে ঘেরাও। শেষে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, আপাতত মাসিক ৪২০০ টাকা করে বেতন বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা নিতে রাজি কিনা প্রত্যেক আন্দোলনকারি কর্মীকে দুপুরের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

এই অবস্থায়  ঘেরাও করা নিয়ে আন্দোলনকারী কর্মীদের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট হয়। আন্দোলনকারীদের একটা বড় অংশ কাজে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত রেজিস্ট্রারের সঙ্গে আলোচনায় বসে ঘেরাও তুলে নেওয়ার কথা জানায় তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতি। শাসক দলের কর্মচারী সংগঠনের এই আন্দোলন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একাংশ ক্ষুব্ধ। যেভাবে তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির নামে পোষ্টার ও ফ্লেক্স ঝুলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল পথ আটকে রাখা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

 Sebak DebSarma

Published by: Rukmini Mazumder
First published: February 7, 2020, 7:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर