• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ‘অভিনন্দন ফিরলেই সত্যিটা জানা যাবে’, জানালেন কার্গিল যুদ্ধে বন্দি পাইলট নচিকেতা

‘অভিনন্দন ফিরলেই সত্যিটা জানা যাবে’, জানালেন কার্গিল যুদ্ধে বন্দি পাইলট নচিকেতা

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: উইং কমান্ডার অভিনন্দন পাকিস্তানের হাতে আটক হওয়ার পর থেকেই স্মৃচি উসকে দেশবাসীর মনে চলে আসেন ক্যাপ্টেন কমবামপতি নচিকেতার কথা ৷ ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে লেফটান্যান্ট নচিকেতাকে বন্দি বানানো হয়েছিল পাকিস্তানে৷ প্লেন থেকে নামার সময় একটা গন্ডগোল হয় ৷ তখন নিজের প্যারাশুট নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি ৷ তিনি পাকিস্তানের মাটিতে ল্যান্ড করেন ৷

    রেড ক্রসের মাধ্যমে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷ মিগ ২৭ নিয়ে নচিকেতা আক্রমণ শুরু করেন ৷ ৩০ এমএম মিসাইল রিলিজ করার মুহূর্ততে তাঁর প্লেনের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় ৷ তিনি বন্ধ ইঞ্জিন শুরু করার প্রচুর চেষ্টা করেন ৷ পাকিস্তানের একটি পাহাড়ে তিনি নামেন ৷ তাঁকে রাওয়ালপিন্ডির জেলে বন্দি রাখা হয়েছিল ৷ আট দিন জেলে বন্দি থাকার পর তাঁকে ছাড়া হয় ৷ পাকিস্তানে তাঁকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় ৷ সেখানে তিনি ফেরার সব আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন ৷ কিন্তু পরে ভাগ্য করে ফিরে আসেন ৷

    সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে নচিকেতা জানালেন, ‘অভিনন্দনের আটক হওয়ার খবরটা পেয়ে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম৷ তবে এটা জানতাম, অভিনন্দন এই পরিস্থিতিটা সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে পারবেন ৷ কারণ এই ভাবেই আমরা ট্রেনিং পেয়ে থাকি ৷’

    সঙ্গে নচিকেতা আরও জানালেন, ‘তবে অভিনন্দন দেশে ফেরার পরেই আসল সত্যিটা জানা যাবে ৷ পাকিস্তান তাঁর সঙ্গে ঠিক কেমন ব্যবহার করেছে ৷’

    নচিকেতা আরও জানালেন, ‘এই সময়টা খুবই স্পর্শকাতর ৷ আর এই সময়ে পাকিস্তানের শান্তি প্রর্দশনের মনোভাব অভিনন্দনের বিষয়ে অনেকটাই সাহায্য করেছে ৷ তবে এখান থেকে দাঁড়িয়ে সব কিছু বলা সম্ভব নয় ৷ দুই দেশের কূটনৈতিক নীতিও অনেকটা সাহায্য করেছে অভিনন্দনের ক্ষেত্রে ৷ তবে যেটা হয়েছে, সেটা সত্যিই দুই দেশের মধ্যে কিছুটা হলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটাবে বলে মনে হয় ৷ বাদ বাকিটা তো জানা যাবে অভিনন্দনের কাছ থেকেই !’

    First published: