Home /News /national /

Assembly Elections 2022: পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণার পরেই শুরু বিতর্ক, করোনা নিয়ে আশঙ্কা

Assembly Elections 2022: পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণার পরেই শুরু বিতর্ক, করোনা নিয়ে আশঙ্কা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

Assembly Elections 2022: করোনা সতর্কতা মেনে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সমস্তরকম প্রকাশ্য জনসভা, মিছিল, রোড-শোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়ে গেল বিতর্ক। বিশেষজ্ঞদের একাংশেরমতে, আগামী মাসের মধ্যেই শিখরে উঠতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ। তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা করে সেখানকার মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিল কমিশন। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট আপাতত স্থগিত করার চিন্তাভাবনা করতে বলেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রক, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর নির্ধারিত সময়েই ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অবশ্য, ভোট যে পিছানো হবে না, আগে থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল।

আরও পড়ুন - সংসদ ভবনেও করোনার থাবা, সংসদের ৪০০ কর্মীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে দিল নির্বাচন কমিশন। উত্তরপ্রদেশে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়ায় ভোটগ্রহণ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। মণিপুরে ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ৭ মার্চ দুদফায় ভোটগ্রহণ হবে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। ১০ মার্চ পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফলপ্রকাশ।

আরও পড়ুন: কলকাতার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে গণহারে করোনা আক্রান্ত নার্সরা, পরিস্থিতি ভয়াবহ!

করোনা সতর্কতা মেনে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সমস্তরকম প্রকাশ্য জনসভা, মিছিল, রোড-শোতে নিষেধজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এক সপ্তাহ পর পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ফের বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত কোনও কর্মসূচি পালন করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে যতটা বেশি সম্ভব ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে প্রচার করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলিকে। বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে ৫ জনের বেশি নেতা কর্মী থাকতে পারবেন না। করোনার কারণে যাতে শারিরীক দূরত্ববিধি লঙ্ঘন না হয়, তারজন্য ৩০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত ভোটকেন্দ্র তৈরি করার ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি ভোটার ভোট দিতে পারবেন না। সমস্ত রাজ্যেই এই বিধি কার্যকর হবে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে যাতে সমস্তরকম বিধি মেনে ভোট হয় তারজন্য ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সমস্ত ভোটকেন্দ্রে স্যানিটাইজার রাখা হবে এবং সমস্ত ভোটকর্মীদের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে খরচের ঊর্দ্ধসীমা বাড়ানো হয়েছে।

RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Election

পরবর্তী খবর