আজই জয়ললিতার মন্দিরের দ্বারোদঘাটন, বিধানসভা নির্বাচনে জনতার মন পেতে মরিয়া AIADMK

আজই জয়ললিতার মন্দিরের দ্বারোদঘাটন, বিধানসভা নির্বাচনে জনতার মন পেতে মরিয়া AIADMK
তামিল্লাড়ুতে জয়ললিতার মন্দির। আজ দ্বারোদঘাটন।

জয়ললিতা আর রামচন্দ্রনের এই মন্দির তৈরি হয়েছে ১.৫ একর জমির উপরে, তা তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা। এই মন্দিরটি তৈরিতে সরাসরি ভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী আরবি উদয়কুমার।

  • Share this:

#মাদুরাই: তাঁকে ডাকা হত আম্মা বলে! কিন্তু আদতে যে তাঁকে মায়ের চেয়েও বেশি করে দেবীর আসনে বসিয়েছিল জনতা, সে বড় নতুন কথা নয়। শোনা যায়, তামিলনাড়ুর এক সময়ের প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার (J. Jayalalithaa) হেলিকপ্টার দেখা গেলেও জুতো খুলে, হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে থাকতেন সাংসদরা। সেই কিংবদন্তি সমান জয়ললিতার মন্দির আপাতত মাদুরাইয়ের টি কালুপাতি এলাকায় তৈরি হয়ে গিয়েছে। আজই তার দ্বারোদঘাটন করবেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ই পালনিস্বামী (E Palaniswami)।

তবে জয়ললিতার উত্থানের ইতিহাস আলোচনা করতে গেলে এমজি রামচন্দ্রনের (MG Ramachandran) কথা বলতেই হয়। কী ছায়াছবির জগতে হোক, কী রাজনীতির জগতে- জয়ললিতাকে তিলে তিলে তৈরি করেছিলেন তিনিই! তাঁদের প্রণয় নিয়েও নানা কিবংদন্তি প্রচলিত আছে দেশে। ফলে জয়ললিতার মন্দিরে ঠিক তাঁর পাশেই স্থান পেয়েছে রামচন্দ্রনের মূর্তিও। এই দুই মুখ্যমন্ত্রীই এখন তামিল নাড়ুর নতুন দেব-দেবীর পদে শোভা পাবেন! তাঁদের ব্রোঞ্জের অবয়ব অনুরাগীর মনে জাগিয়ে তুলবে অজস্র স্মৃতি।

জয়ললিতা আর রামচন্দ্রনের এই মন্দির তৈরি হয়েছে ১.৫ একর জমির উপরে, তা তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা। এই মন্দিরটি তৈরিতে সরাসরি ভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী আরবি উদয়কুমার (RB Udhayakumar)। তাঁর রাজনীতির জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল জয়ললিতার হাত ধরেই। আর এবার মন্দিরে দেবী হিসেবে জয়ললিতার পূজা শুরু হবে উদয়কুমারের প্রত্যক্ষ পদক্ষেপে।


রাজনীতিবিদদের বক্তব্য, বর্তমানে জয়ললিতার AIADMK দল খুব একটা ভালো জায়গায় নেই। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তা বেশ বড়সড় ধাক্কা খেয়েছিল। সেই জায়গা থেকে AIADMK-র জায়গা মজবুত করে জয়ললিতার স্মৃতিকে হাতিয়ার করবে এই মন্দির। ঠিক যেমন তাঁর বাসভবন বেদ নিলয়মকে মিউজিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়েছে, ঠিক সেই পদক্ষেপ অনুসরণ করেই এই মন্দিরের আয়োজন।

যদিও উদয়কুমার সে কথা স্বীকার করছেন না। তিনি জানিয়েছেন যে আম্মাকে তাঁরা নানা নামে ডাকতেন। তাঁর নামের সঙ্গে জুড়েছিল ইদায়া তেইবম (হৃদয়েশ্বরী), কবল তেইবম (রক্ষাকর্ত্রী), কুলস্বামীর মতো নানা বিশেষণ। সেই সত্ত্বার প্রতিই শ্রদ্ধাঞ্জলি এই মন্দির! তিনি আরও জানিয়েছেন যে মন্দিরের চারপাশের বাগানটি যথেষ্ট প্রশস্ত, করোনাকালে ভিড় না করেও অনুরাগীদের দেবীদর্শনে অসুবিধা হবে না!

Published by:Shubhagata Dey
First published: