Home /News /national /
Railway Ministry: দেশের ৭৫৬টি স্টেশনের মধ্যে ২২৩টি বাংলায়, নির্ভয়া স্টেশনে থাকছে কড়া নিরাপত্তা

Railway Ministry: দেশের ৭৫৬টি স্টেশনের মধ্যে ২২৩টি বাংলায়, নির্ভয়া স্টেশনে থাকছে কড়া নিরাপত্তা

Railway Ministry: কলকাতা সংলগ্ন যাদবপুর, টালিগঞ্জ, বারাসত, বারুইপুর জংশন,  ব্যারাকপুর, বসিরহাট, বেলঘড়িয়া, বেলুড়, দক্ষিণেশ্বর, দমদম ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে এই তালিকায়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি:  নির্ভয়া স্টেশনের আওতায় আসতে চলেছে বাংলার ২২৩টি রেলস্টেশন। এই স্টেশনগুলিতে এ বার থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে রেলমন্ত্রক। জোনাল, ডিভিশনার কার্যালয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট স্টেশনের আরপিএফ পোস্টে সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটর বসানো থাকবে। তার মাধ্যমেই নজরদারি চালানো হবে। রেলস্টেশন গুলিকে নজরদারির আওতায় আনতে নির্ভয়া স্টেশনের ঘোষণা করেছিল রেলমন্ত্রক। দেশের মোট ৭৫৬টি স্টেশনের তালিকায় ছিল বাংলার ২২৩টি স্টেশন। এ বার সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চলেছে। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কাজটি করবে রেলটেল। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত কাজটি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে রেলমন্ত্রকের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে বাংলার স্টেশন।  রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, নির্ভয়া তহবিল থেকে এই টাকা খরচ করা হবে। স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়া, টিকিট কাউন্টার, ওয়েটিং রুম, প্লাটফর্ম, ফুট ওভার ব্রিজ থাকবে সিসিটিভির নজরদারির আওতায়। আজ নির্ভয়া স্টেশনের জন্য বরাত চূড়ান্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর কলকাতা সফরে মমতা- দ্রৌপদী সাক্ষাতের সম্ভাবনা, তুঙ্গে কৌতূহল

কলকাতা সংলগ্ন যাদবপুর, টালিগঞ্জ, বারাসত, বারুইপুর জংশন,  ব্যারাকপুর, বসিরহাট, বেলঘড়িয়া, বেলুড়, দক্ষিণেশ্বর, দমদম ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে এই তালিকায়। এ ছাড়াও জেলার রেলস্টেশনের মধ্যে রয়েছে  ব্যান্ডেল, বোলপুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, ডানকুনি, কাটোয়া, নবদ্বীপ ধাম, শক্তিগড়, সিঙ্গুর, তারকেশ্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলি।

আরও পড়ুন: বিদ্রোহী থেকে মুখ্যমন্ত্রী! ড্রাম বাজিয়ে স্বামীকে স্বাগত একনাথ শিন্ডের স্ত্রী লতার!

সম্প্রতি অগ্নিপথ প্রকল্পের কারণে সারা দেশে যে বিক্ষোভ হয়েছিল তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রেল। স্টেশনে ভাঙচুর থেকে শুরু করে ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ছবি দেখা গিয়েছে। যে কোনও প্রতিবাদ, বিক্ষোভের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেল। এ বার সেই ঘটনায় রাশ টানতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে থাকছে, মুখ দেখে যাতে দাগী আসামীদের চিনতে পারা যা, সেই প্রযুক্তি। অর্থাৎ দাগী আসামীরা এবার থেকে স্টেশনে ঢুকলেই সতর্কবার্তা চলে যাবে আরপিএফ পোস্টে। ফলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারবে রেল পুলিশ। অন্য দিকে, রাত বাড়লেই অপেক্ষাকৃত ছোটো স্টেশনগুলিতে বাড়ে সমাজবিরোধীদের আনাগোনা। সেই ঘটনাতেও রাশ টানা প্রয়োজন বলে মনে করছে রেলমন্ত্রক। তার ফলে একদিকে যেমন রেলস্টেশনগুলিকে সমাজ বিরোধীদের কবল থেকে মুক্ত করা যাবে, তেমনই যাত্রীদের বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সুনির্দিষ্ট করা যাবে।

RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Railway Ministry

পরবর্তী খবর