corona virus btn
corona virus btn
Loading

কোনও স্থগিতাদেশ নয় CAA-NPR-এ, একনজরে দেখে নিন সুপ্রিম কোর্ট যা বলল

কোনও স্থগিতাদেশ নয় CAA-NPR-এ, একনজরে দেখে নিন সুপ্রিম কোর্ট যা বলল

কেন্দ্রকে নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে জবাব দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় আদালতের। কোনও রাজ্যের হাইকোর্ট CAA নিয়ে দায়ের হওয়া কোনও মামলায় নির্দেশ দিতে পারবে না ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: CAA-তে একতরফা স্থগিতাদেশ নয়, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশজুড়ে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে ৷ শীর্ষ আদালতে নাগরিকত্ব আইন ও NPR-এর বিরুদ্ধে দায়ের ১৪৪টিরও বেশি মামলা ৷ তার মাঝেই নাগরিকত্ব আইন নিয়ে শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে ৩ বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ। মামলায় সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের আর্জি কপিল সিব্বলদের। প্রধান বিচারপতি-সহ তিন সদস্যের বেঞ্চে চলছে শুনানি। কেন্দ্রকে নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে জবাব দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহ সময় আদালতের।

এদিন সুপ্রিম কোর্ট যা বলল দেখে নিন-

১) প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি আবদুল নজীর, বিচারক সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ এদিন জানায়, একতরফা কথা শুনে তারা নাগরিকত্ব আইনে কোনও স্থগিতাদেশ দেবে না ৷ শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে জানায়, এই মামলার দলিল এখনও শোনা অনেক বাকি ৷ তাই এখনই আমরা এই আইনের বিরুদ্ধে কোনও নির্দেশ জারি করতে পারি না ৷ আপাতত সরকারকে প্রোবিশনাল নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা আদালত বলতে পারে, তবে এই আইনের উপর কোনও স্থগিতাদেশ কেন্দ্রের দলিল না শোনা অবধি দিতে পারবে না ৷

২) নাগরিকত্ব আইনে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকারকে ৪ সপ্তাহ সময় দিয়ে নোটিশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট ৷ অসম-ত্রিপুরা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরের জন্য শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে দুসপ্তাহ সময় দিয়েছে ৷ শুনানি চলাকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল আবেদন জানান, আদালত যাতে নির্দেশিকা জারি করে আর নতুন করে এই আইনের বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা যাবে না ৷

৩) সু্প্রিম কোর্ট নাগরিকত্ব আইন (CAA) নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার আর্জির ভিত্তিতে তাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে দিয়েছে ৷ সেই ভিত্তিতে অসম, উত্তর-পূর্ব ভারতের ইস্যুগুলি নিয়ে আলাদা করে শুনানি হবে ৷ উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব আইন লাগু করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে ৷ তাই সেই ইস্যু নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি আলাদা করে হবে ৷ আদালত দায়ের হওয়া সমস্ত মামলার তালিকা জোন অনুযায়ী চেয়ে পাঠিয়েছে এবং সেই হিসাবেই কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে ৷

৪) কেন্দ্র সরকার জবাব দেওয়ার পর ৫ সপ্তাহ বাদে প্রধান বিচারপতি সহ ৩ বিচারপতির বেঞ্চে ফের হবে CAA মামলার শুনানি ৷

৫) বুধবার শুনানি শেষ হওয়ার আগে শীর্ষ আদালত জানায়, দেশের বাকি রাজ্যের হাইকোর্টে CAA -এর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় কোনও নির্দেশ দেওয়া যাবে না এবং কেন্দ্র সরকারের আর্জি অনুযায়ী ওই সমস্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে ট্রান্সফার করতে হবে ৷

Published by: Elina Datta
First published: January 22, 2020, 3:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर