Ghaziabad Sisters Update: মেজ বোনই ছিল ‘ডেথ কম্যান্ডার’! মেয়েদের ফোন বেচে ইলেকট্রিক বিল দিয়েছিল বাবা...গাজিয়াবাদ কাণ্ডে ভয়ঙ্কর তথ্য
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ন’তলার জানলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল পর পর৷ তিন বোন৷ সোজা পড়েছিল ৮০ ফুট নীচে৷ বয়স, ১৪, ১৬ এবং ১২৷ পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত ওরা প্লাস্টিকের টুলের সাহায্যে খোলা জানলায় উঠেছিল৷ তারপরেই মরণঝাঁপ৷
গাজিয়াবাদ: গোটা ফ্ল্যাটটাই কেমন যেন আলোআঁধারি, ঠান্ডা৷ ফ্ল্যাটের জমে থাকা ঠান্ডা নিস্তব্ধতা আরও থিতিয়ে দেয় বাঁদিকে দেওয়ালে লেখা কাঁচা হাতের লেখাগুলো৷ শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যায় শিহরণ৷ দেওয়ালে ফিকে হয়ে আসা পেনসিলের স্কেচ, অর্ধেক লেখা কোনও লাইন, কিছু শব্দের উপরে কেটে হিজিবিজি করে দেওয়া৷ প্রত্যেক বার লেখা এবং প্রত্যেকবার প্রত্যাখ্যানের লুপ-এ পড়ে যাওয়া কিশোরী৷ দেওয়ালে ঝুলছে রাধাকৃষ্ণের একটা ছবি, তার পাশেই ভাঙাচোরা শব্দে রোমান ইংরাজিতে লেখা একটা লাইন, ‘‘আমি খুব একা৷ আমার মন ভেঙে গেছে৷’’ সেই লেখার উপরে ফের কাটাকুটি করা৷ সেরকমই লেখা ছড়িয়ে রয়েছে গোটা ফ্ল্যাট জুড়ে৷
লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী ডা. মানিনি শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, লেখার উপরে বার বার এই ‘ক্রশ মার্ক’ ওর বিপন্ন মানসিকতার ও মানসিক দ্বন্দ্বের আভাস দেয়৷ তবে এটি স্বতঃপ্রণোদিত ছিল নাকি টাস্কের অংশ ছিল তা অবশ্য জানা যায়নি৷
আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ দিতেই হবে! কবে প্রথম আর কবে দ্বিতীয় কিস্তি? রায়দানে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
advertisement
advertisement
তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন, মেজ বোনই এঁদের মধ্যে ‘বস’ অথবা ‘ডেথ কম্যান্ডার’ ছিল কি না৷ এই ‘ডেথ কম্যান্ডার’ হল একটা বিশেষ ‘রোল’ যে অন্যদের নির্দেশ দেয়৷
এরপরেই আসে ‘ফাইনাল টাস্ক’৷ মেয়েদের ঘরব থেকে পাওয়ার একটি ডায়েরিতে লেখা ছিল, ‘‘এখন তুমি বুঝতে পারবে যে গেম আমাদের ছাড়তে বলছিলে, সেগুলো আমার কাছে কতটা কাছের৷’’
advertisement
গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ন’তলার জানলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল পর পর৷ তিন বোন৷ সোজা পড়েছিল ৮০ ফুট নীচে৷ বয়স, ১৪, ১৬ এবং ১২৷ পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত ওরা প্লাস্টিকের টুলের সাহায্যে খোলা জানলায় উঠেছিল৷ তারপরেই মরণঝাঁপ৷
পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, এই পরিবারের ভিতরে নানা জটিলতা ছিল৷ ওই তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমার পেশায় একজন স্টক ট্রেডার৷ জানা গিয়েছে, বাজারে তাঁর ২ কোটি বেশি টাকার দেনা রয়েছে৷ প্রবল অর্থনৈতিক চাপে ইলেকট্রিক বিল মেটাতে মেয়েদের ফোন বিক্রি করে দিয়েছিল সে৷
advertisement
শুধু তাই নয়, গত দু’বছর মেয়েরা স্কুলে অনিয়মিত হয়ে গেলেও তাঁর টনক নড়েনি৷ গত কয়েকদিনে হঠাৎ করেই মেয়েদের ‘গেম অ্যাডিকশনের’ দিকে নজর পড়ে তাদের বাবার৷ ওই তিন কিশোরী সোশ্যাল মিডিয়ায় কোরিয়ান নাম ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ মারিয়া, আলিজা এবং সিন্ডি৷ নিজেদের ‘কোরিয়ান প্রিন্সেস’ বলে মনে করত৷ সব সময় সব কাজ একসঙ্গে করত৷ নাওয়া, খাওয়া, ঘুম সব৷
advertisement
তদন্তকারীরা জানিয়েছে, আত্মহত্যার ঘটনার দিন দশেক আগেই মেয়েদের অনলাইন কাজকর্মের বিষয়টি নজর আসে তাদের বাবার৷ সঙ্গে সঙ্গে সেই সমস্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেন তিনি৷
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রের খবর, পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে মনে হয়েছে, ওই তিন কিশোরী কোরিয়ান টাস্ক বেসড ‘লাভ গেম’-এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল৷ যেখানে বিভিন্ন চ্যালে়ঞ্জ দেওয়া হতো পার্টিসিপেন্টদের৷
দেশের সব লেটেস্ট খবর ( National News in Bengali ) এবং বিদেশের সব খবর ( World News in Bengali ) পান নিউজ 18 বাংলায় ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইন নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Uttar Pradesh
First Published :
Feb 05, 2026 1:42 PM IST









