Exclusive: করোনার ওষুধগুলির ট্রায়াল হয়েছে তো? প্রশ্ন তুলে দিলেন রামদেব

নিউজ১৮-এ এক্সক্লিউসিভ রামদেব। কী বলছেন বিতর্কের উত্তরে?

রামদেবের প্রশ্ন করোনায় ব্যবহৃত ওষুধগুলির ট্রায়াল হয়েছিল তো? কারণ করোনিলের ট্রায়াল হয়েছিল, তারপরেও তা নিষিদ্ধ হয়েছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: চিকিৎসা না পেয়ে যত লোক মারা গিয়েছে, অ্য়ালোপ্যাথি ওষুধ খেয়ে মারা গিয়েছে তারও বেশি লোক, প্রকাশ্যে এই মন্তব্য করার পর থেকে যোগগুরু রামদেবের সঙ্গে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকদের সংঘাত চরমে। ইতিমধ্যেই দেশদ্রোহের মামলার দাবিতে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন ইন্ডিয়ান মে‌ডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশানের চিকিৎসকরা। এই তুমুল বাকবিতণ্ডার মধ্যেই নিউজ১৮-কে সাক্ষাৎকার দিলেন রামদেব।

    কথাবার্তার শুরুতেই রামদেব বললেই ইতিমধ্যেই তিনি নিজের বিবৃতির জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন, মন্তব্যও প্রত্যাহার করেছেন। কিন্তু একই সঙ্গে তাঁর মত, ৯৮ ভাগ অসুখই সারাতে পারে আয়ুর্বেদ।

    নিজের পূর্বোক্ত মন্তব্যটি প্রত্যাহার করলেও রামদেব কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে নরছেন নাষ আইএমএ সম্পর্কে তাঁর মত এটি ব্রিটিশদের এনজিও যা মানুষের চিকিৎসার নামে আসলে লুঠতরাজ চালায়। তাঁর মতে অ্যালোপ্যাথি পদ্ধতি হিসেবেই দামী, ফার্মা সংস্খাগুলি একরকম লুঠতরাজ চালায়। এর পরেই তাঁর প্রশ্ন, করোনার ওষুধগুলির কি ট্রায়াল হয়েছে? এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, করোনার জন্য তিনি যে ওষুধটি বাজারে এনেছিলেন- করোনিল তার বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা হয়েছিল।

    রামদেবের কথায়, আমার কার প্রতি কোনও অসূয়া নেই। এ কথাও সত্যি অ্যালোপ্যাথিতে বহু রোগের নিদান নেই। আবার এটাও মানতে হবে অ্যালোপ্যাথি কোটি কোটি কোটি রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। কাজেই ঘৃণার প্রশ্ন নেই। অ্যালোপ্যাথির সঙ্গে করোনা যুদ্ধে যোগাকেও প্রয়োজনীয় বলে মনে করতে হবে। লড়াইটা লড়তে হবে একসঙ্গে।

    আইএম মানহানির মামলা করেছে, কথাটা তুলতেই চটলেন রামদেব। বললেন আইএমএ কোনও আইনি সংস্থা না, কোনও গবেষণা সংস্থাও নয়। অশ্লীল কথাবার্তার জন্য মামলা আমার করা উচিত। কিন্তু আমি তা করব নাষ কারণ আমই উদ্ধত নই, গর্বিতও নই। আমি বাঁচি স্বঅভিমান নিয়ে।

    Published by:Arka Deb
    First published: