দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পরিবেশরক্ষায় পদক্ষেপ! উঠে যাচ্ছে প্লাস্টিক কাপ, রেল স্টেশনে ফিরছে মাটির ভাঁড়ের চায়ের পুরনো স্মৃতি

পরিবেশরক্ষায় পদক্ষেপ! উঠে যাচ্ছে প্লাস্টিক কাপ, রেল স্টেশনে ফিরছে মাটির ভাঁড়ের চায়ের পুরনো স্মৃতি
ফাইল ছবি

প্লাস্টিক-ফ্রি ইন্ডিয়া মিশন সফল করতেই রেলওয়ের তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ক্রমবর্ধমান পরিবেশ দূষণের মোকাবিলায় এ বার একটি নতুন পদক্ষেপ করতে চলেছে রেলমন্ত্রক। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানিয়েছেন, এ বার থেকে দেশের সব রেল স্টেশনের চায়ের দোকানগুলিতে প্লাস্টিক কাপের বদলে মাটির ভাঁড় ব্যবহার করা হবে। পরিবেশ দূষণ কমাতে এ বার থেকে মাটির ভাঁড়েই চা বিক্রি করতে হবে।

রাজস্থানের আলওয়াড় জেলার উত্তর-পশ্চিম রেলওয়ের দিগাওয়াড়া রেলওয়ে স্টেশনের একটি ইলেকট্রিফায়েড রেল সেকশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্লাস্টিক-ফ্রি ইন্ডিয়া মিশন সফল করতেই রেলওয়ের তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রীর কথায়, বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০০টি স্টেশনে মাটির ভাঁড়ে চা বিক্রি হয়। সবাই মাটির ভাঁড়ই ব্যবহার করেন। আর সেই সূত্রেই দেশের সমস্ত রেলওয়ে স্টেশনে পুরোপুরি ভাবে মাটির ভাঁড় ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে পরিবেশদূষণ প্রতিরোধের পাশাপাশি ভাঁড় তৈরি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজনের উপার্জন বাড়বে বলেও আশা তাঁর। এমনকি অনুষ্ঠানে এসে তিনি নিজেও মাটির ভাঁড়ে চা পানের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।  

দিগাওয়াড়া-বান্দিকুই রেল সেকশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে রেলমন্ত্রীর বক্তব্য, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার আসার আগে রাজস্থানের রেলওয়ে সেক্টরের উপরে তেমন গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। দিল্লি-মুম্বই রুটে ইলেকট্রিফিকেশন হয়ে গিয়েছে প্রায় ৩০ বছর আগে। কিন্তু এই ৩০ বছরে রাজস্থানের রেলওয়ে সেক্টরে ইলেকট্রিফেশনের বিষয়ে কোনও নজর দেওয়া হয়নি। ২০০৯-২০১৪ সালে রাজস্থানে রেলওয়ে ও পরিকাঠামো উন্নয়ন খাতে যে বিনিয়োগ হয়েছিল, তার থেকে কয়েকগুণ বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে ২০১৪-২০২০ সালের মধ্যে। এর জেরে পরিবর্তনও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

পীযূষ গয়াল আরও জানিয়েছেন, ২০০৯-২০১৪ সালের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রেল সেকশনে ৬৫টি আন্ডারপাস গড়া হয়েছিল। সেই জায়গায় ২০১৪-২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ৩৭৮টি আন্ডার পাস গড়া হয়েছে। ওভারব্রিজের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতিটা একই রকম। এ ক্ষেত্রে ২০১০-২০১৪ সালের মধ্যে মোট চারটি ওভারব্রিজ গড়া হয়েছিল। আর সেই জায়গায় ২০১৪-২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মোট ৩০টি ওভারব্রিজ গড়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পরিবেশের কথা চিন্তা করেই দেশ জুড়ে পুরোপুরি বৈদ্যুতিন রেল লাইনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে পরিবেশ বাঁচানোর পাশাপাশি জ্বালানি, সময়, টাকাও বাঁচবে। ট্রেনগুলির গতিও বাড়বে। এ নিয়ে রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই পদক্ষেপের জেরে দেশের কৃষকরাও উপকৃত হবেন। কারণ অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব সহজে ও কম সময়ে কৃষিপণ্য পরিবহন সম্ভব হবে। এ বিষয়ে পীযূষ গয়াল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবেশ দূষণ নিয়ে অত্যন্ত সচেতন। আর তাই রেলওয়ের সমস্ত রেল লাইনের ইলেকট্রিফিকেশনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন ইলেকট্রিফায়েড দিগাওয়াড়া-বান্দিকুই রেল সেকশনের প্রথম ট্রেনটির উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৌসার সাংসদ জসকৌর মীনা, GM-NWR আনন্দ প্রকাশ ও রেলের অন্যান্য কর্মীরা।

Published by: Shubhagata Dey
First published: November 30, 2020, 12:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर