‘জম্মু-কাশ্মীরে সবকিছু ঠিক নেই,সত্য প্রকাশ্যে আসুক চায় না সরকার’, তোপ রাহুলের

উপত্যকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি কোন আইনে ও কেন তাদের আটক করা হয়, তাও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রাহুলদের।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 24, 2019 09:21 PM IST
‘জম্মু-কাশ্মীরে সবকিছু ঠিক নেই,সত্য প্রকাশ্যে আসুক চায় না সরকার’, তোপ রাহুলের
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 24, 2019 09:21 PM IST

#নয়াদিল্লি: কাশ্মীরে পা রাখাই হল না। শ্রীনগর বিমানবন্দরে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটক থাকার সময় বিমানে দিল্লি ফিরতে হল রাহুল গান্ধি সহ বিরোধী নেতাদের। উপত্যকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি কোন আইনে ও কেন তাদের আটক করা হয়, তাও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রাহুলদের।

রাহুল গান্ধি সহ দেশের তামাম বিরোধী নেতারা উপত্যকায় যাচ্ছেন। শুক্রবার এই ঘোষণার পর থেকে যা আশঙ্কা ভেসে বেড়াচ্ছিল বাস্তবেও সেটাই হল। শ্রীনগর বিমানবন্দরে নামলেন রাহুলরা বটে, তবে সেখানেই শেষ। আর এগোতে দেওয়া হয়নি ৮টি রাজনৈতিক দলের ১২ জনের প্রতিনিধিদলকে।  বাধার মুখে দিল্লি ফিরেই কেন্দ্রকে নিশানা করল বিরোধীরা।

রাজধানীতে ফিরেই রাহুলের তোপ, ‘জম্মু-কাশ্মীরে সবকিছু ঠিক নেই ৷ সত্য প্রকাশ্যে আসুক চায় না সরকার ৷ অবৈধ ভাবে আটকানো হয়েছে ৷ আটকের নির্দেশ লিখিত ভাবে দেখানো হয়নি ৷’ রাহুলদের কাশ্মীর যাওয়া ও ফেরা -- কয়েক ঘণ্টার জমজমাট নাটক। প্রতিনিধিদলে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধি, গুলাম নবি আজাদ, আনন্দ শর্মারা ছাড়াও ছিল সিপিএম, সিপিআই, ডিএমকে, আরজেডি সহ আরও  আট দলের নেতারা।

দুপুর ১.৫০ নাগাদ শ্রীনগরে বিমানবন্দরে নামেন রাহুল গান্ধিরা ৷ দুপুর ১.৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে ১ নম্বর গেটের সামনে আটকানো হয় বিরোধী নেতাদের৷ বাইরে যেতে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানায় পুলিশ ৷ এই নির্দেশ মেনে দিল্লি ফিরতে রাজি হননি বিরোধী নেতারা। রাহুল গান্ধি সহ অন্য নেতাদের বোঝাতে উদ্যোগী হন জম্মুর ডেপুটি প্রশাসনিক কর্তারা। শুরু হয় কথা কাটাকাটি।

প্রশাসনের বক্তব্য, উপত্যকায় রাজনৈতিক নেতাদের যাতায়াতে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। তাই এখনই সেই অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এব্যাপারে প্রশাসনিক নির্দেশ মেনেই ব্যবস্থা হচ্ছে ৷ যদিও কী সেই নির্দেশ, তা স্পষ্ট করা হয়নি বলেই অভিযোগ।

Loading...

বিমানবন্দরে সংবাদকর্মীদের মারধর করারও অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এই টানাপোড়েনের মধ্যেই নিজেদের অবস্থান জানিয়ে বদগাঁওয়ের জেলাশাসককে চিঠি দেন বিরোধী নেতারা। চিঠিতে জানানো হয়, রাজ্যপালই পরিস্থিতি দেখতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কাশ্মীরের মানুষের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিন্ত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিকভাবে আমাদের আটক করা হয়েছে। আমরা গেলে উপত্যকায় অশান্তি হবে বলে

আশঙ্কা করা হয়েছে, তাও অমূলক। এটা সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপের সামিল ৷

কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখে যেতে রাহুল গান্ধিকে বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। এমনকি বিমান পাঠানোর কথাও বলেছিলেন।  রাহুল সেই আবেদন গ্রহণ করার পর আর মুখ খোলেননি রাজ্যপাল। শনিবার কাশ্মীর নিয়ে রাজনীতির অভিযোগে চড়া সুর রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের।

কাশ্মীরের সব ঠিক নয়। যা ঘটছে তা দেশকে জানতে দেওয়া হচ্ছে না। আগে এই অভিযোগ করলেও শনিবারের পর নতুন অস্ত্র পেয়ে গেলেন বিরোধীরা। আর দিল্লি নেমে রাহুলও বোঝালেন, এবার এই অভিযোগ নিয়ে আক্রমণের ঝড় তুলবেন। যা নিঃসন্দেহে মোদি সরকারের কাছে অস্বস্তির।

First published: 09:19:54 PM Aug 24, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर