• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • পুনের সেরাম ইন্সটিটিউটের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, অগ্নিদগ্ধ ৫ কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু

পুনের সেরাম ইন্সটিটিউটের কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, অগ্নিদগ্ধ ৫ কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু

সেরাম ইন্সটিটিউটেই তৈরি হচ্ছে করোনার টিকা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনটি। ফলে গোটা দেশে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

সেরাম ইন্সটিটিউটেই তৈরি হচ্ছে করোনার টিকা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনটি। ফলে গোটা দেশে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

সেরাম ইন্সটিটিউটেই তৈরি হচ্ছে করোনার টিকা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনটি। ফলে গোটা দেশে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

  • Share this:

    #পুনে: পুনের সেরাম ইন্সটিটিউটের কোভিশিল্ড কারখানায় বিধ্বংসী আগুন। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে তিন'টে নাগাদ সেরাম ইন্সটিটিউটের ১ নম্বর টার্মিনালের গেট থেকে কুণ্ডলী পাকানো আগুনের ধোঁয়া উঠতে শুরু করে আচমকাই। নিমেষে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু সেরাম ইন্সটিটিউটেই তৈরি হচ্ছে করোনার টিকা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনটি। ফলে গোটা দেশে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতদেহ এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

    সূত্রের খবর, এ দিন দুপুরে আগুন লাগে সেরাম ইন্সটিটিউটেই মঞ্জরি অঞ্চলের একটি নির্মীয়মাণ বহুতলে। ঠিক তার পাশেই রয়েছে কোভিশিল্ড তৈরির প্ল্যান্ট।  নিউজ ১৮-কে আশ্বস্ত করে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধমন্ত্রী রাজেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, আগুন লেগেছিল। কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের প্ল্যান্টে কোনও আগুন লাগেনি। শেষ পাওয়া খবরে ঘটনাস্থলে দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন কাজ করে ঘণ্টাখানেক। তারপরে আগুন ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে।

    পুনের মেয়র মুরলীধর মহল জানিয়েছেন, যে পাঁচজনের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁরা সম্ভবত নির্মীয়মাণ বহুতলে নির্মাণের কাজের সঙ্গে যুক্ত। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ওয়েল্ডিং-র কাজ করার সময় তা থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ দিনের ঘটনার পরে ট্যুইট করে প্রথমে ঘটনার কথা জানান CEO আদার পুনাওয়ালা। সেইসময় স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, করোনা টিকা উৎপাদন ইউনিটে আগুন লাগেনি। ফলে টিকা উৎপাদনে কোনও সমস্যা হবে না। একইসঙ্গে ঘটনায় হতাহতের খবর নেই বলেও স্বস্তি প্রকাশ করেন। এর ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যেই পাঁচজনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। ফের ট্যুইট করেন সেরামের সিইও।  সেখানে মৃত কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: