• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • অসম NRC: শিলচর বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে

অসম NRC: শিলচর বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে

পরেশ অধিকারী কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়বেন ৷

পরেশ অধিকারী কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়বেন ৷

  • Share this:

    #শিলচর: প্রথমেই বাধা ৷ নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে শিলচর বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে ৷ শিলচর বিমানবন্দরে নামতেই আটকে দেওয়া হয় তাঁদের ৷ ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন ৷ শিলচর বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ৷ অসম NRC ইস্যুতে তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার শিলচরে পৌঁছান তৃণমূল প্রতিনিধিরা ৷

    শিলচরে বিমান থেকে নামতেই আটকে দেওয়া হয় তৃণমূলের আট প্রতিনিধিকে ৷ ৬ সাংসদ, ১ বিধায়ক আছেন প্রতিনিধি দলে > বাকি যাত্রীদের বের করে তৃণমূলের সাতজনকে বেরতে না দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় ৷ নিরাপত্তা কারণে আটকে রাখা বলে জানিয়েছে প্রশাসন ৷ সূত্রের খবর, বিকেলেই তাদের কলকাতায় ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে অসম সরকার ৷ আটকে দেওয়া হয়েছে অসমে তৃণমূল সাংসদদের কনভেনশনের আয়োজকদেরও ৷ শিলচর বিমানবন্দরে তাদেরও আটকে দেয় প্রশাসন ৷

    অসম NRC: শিলচর বিমানবন্দরে TMC মহিলা সাংসদের মারধরের অভিযোগ

    অন্যদিকে, বিমানবন্দরের ভিতরে মহিলা তৃণমূল সাংসদদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে ৷ সুখেন্দুশেখর রায়ের অভিযোগ, ‘পরিকল্পিতভাবে আটকানো হয়েছে ৷ মহুয়া মৈত্র, মমতাবালা ঠাকুরকে মারধর করেছে অসম পুলিশ ৷’ বিমানবন্দরে ধর্ণায় তৃণমূল কংগ্রেস৷

    আরও পড়ুন 

    ৪০ লাখ মানুষের ঠিকানা কি এবার ডিটেনশন সেন্টার? নতুন ভবন তৈরি করছে কেন্দ্র

    সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, ‘পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে ৷ বিমানবন্দরে নামতেই ঘিরে ফেলা হয় ৷ আমাদের মারধর করা হয়েছে ৷ আমাদের ঘরবন্দি করার চেষ্টা হয় ৷ আমাদের ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে ৷’

    ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ সাংসদ ও তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন ৷ শিলচরের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ডেরেক বলেন, ‘সুপার এমার্জেন্সি চলছে ৷ পুলিশ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে ৷ বিধায়ক মহুয়া মৈত্রকে পুলিশ মেরেছে ৷ মমতাবালা,কাকলি ঘোষদস্তিদারকে মেরেছে ৷ মারধরে এক মহিলা সাংসদ আহত ৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যা চেয়েছিল তৃণমূল ৷ কোনও ব্যাখ্যা দেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ৷’

    First published: