corona virus btn
corona virus btn
Loading

২০ নয়, এবার ২৪ সপ্তাহেও করা যাবে গর্ভপাত, সংশোধনী আনছে কেন্দ্র

২০ নয়, এবার ২৪ সপ্তাহেও করা যাবে গর্ভপাত, সংশোধনী আনছে কেন্দ্র

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যার কারণে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন মহিলারা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করাতে পারবেন মহিলারা। এতদিন আইন ছিল, ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করানো যাবে। বুধবার গর্ভপাত সংক্রান্ত নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেট অধিবেশনেই ৫০ বছরের পুরনো আইন সংশোধন করে নতুন আইন আনছে কেন্দ্র।

এখন থেকে ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করাতে পারবেন মহিলারা। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত নিল। এখন বিশেষ পরিস্থিতিতে ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করানোর সুযোগ রয়েছে। এবার ৫০ বছর আগের সেই গর্ভপাত আইনে সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্র।

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যার কারণে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন মহিলারা। খসড়া প্রস্তাবেই এই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এখানে বলা হয়,নাবালিকা মায়েদের ক্ষেত্রে সমস্যা সবচেয়ে বেশি। পাঁচ মাস পর্যন্ত তাদের অনেকেই বুঝতে পারে না তাঁরা সন্তান সম্ভবা। ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়েন মহিলারা।

২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাত করানো যাবে৷ ২০ থেকে বাড়িয়ে ২৪ সপ্তাহ করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা৷ বাজেট অধিবেশনেই আসছে আইন সংশোধনী বিল৷ বহুদিন ধরেই গর্ভপাতের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সওয়াল করছিল চিকি‍ৎসক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। তারা দাবি করে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন।

১৯৭১ সালের মেডিকেল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সি (এমটিপি) আইনে ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাতের অনুমতি রয়েছে৷ কোনও একজন চিকিৎসক মনে করলে, ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভপাতের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন৷ দুজন চিকিৎসক অনুমোদন দিলে তবেই ১২ সপ্তাহ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করানো যেত৷

গত ডিসেম্বরে সংশোধিত এমটিপি বিলের খসড়া প্রকাশ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। এখানেই গর্ভপাতের সময়সীমা ২৪ সপ্তাহ করার সুপারিশ করা হয়। বুধবার এতে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

দুনিয়ার অনেক দেশেই গর্ভপাত নিষিদ্ধ। এর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত, বিতর্ক, চাপানউতোরও কম নয়। তারই মধ্যে গর্ভপাত নিয়ে কেন্দ্রের আইন বদলের উদ্যোগ ইতিবাচক বলেই মনে করা হচ্ছে।

Published by: Pooja Basu
First published: January 29, 2020, 9:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर