• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Moradabad Morgue: শেষরক্ষা হল না, মৃত্যু হল মোরাদাবাদের মর্গে বেঁচে ওঠা সেই যুবকের

Moradabad Morgue: শেষরক্ষা হল না, মৃত্যু হল মোরাদাবাদের মর্গে বেঁচে ওঠা সেই যুবকের

Representative Image

Representative Image

Moradabad Morgue Case: একটানা সাত ঘণ্টা ফ্রিজারের হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বেঁচে ছিলেন যুবক। পরে ভুল ধরা পড়ায় তাঁকে উদ্ধার করে ফের নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। তবে এ বার চিকিৎসকেরা চার দিন চেষ্টা চালিয়েও বাঁচাতে পারলেন না ওই যুবককে।

  • Share this:

    মোরাদাবাদ: উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদে সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে আসে ৷ মর্গে সাত ঘণ্টা ধরে দেহ ফ্রিজারে রেখে দেওয়ার পরেও হঠাৎ দেখা যায় ‘মৃত’ মানুষের শরীর নড়ছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন, কী বড় ভুলটাই না তাঁদের থেকে হয়ে গিয়েছে ৷ জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করার পর মর্গে পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছিল দেহ ৷ এরপর পরিবারের লোকজনরা মর্গে এলে এক সদস্য দেখতে পারেন, দেহটি নড়ছে ! সঙ্গে সঙ্গেই সবার সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ওই আত্মীয় ৷ এরপর ফ্রিজার থেকে ব্যক্তিকে বের করে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয় ৷ কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না ৷ চার দিনের লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয়েছে যুবকের ৷

    আরও পড়ুন- রেল লাইনের ধারে স্টান্ট ! ভিডিও শ্যুট করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু যুবকের !

    একটানা সাত ঘণ্টা ফ্রিজারের হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বেঁচে ছিলেন যুবক। পরে ভুল ধরা পড়ায় তাঁকে উদ্ধার করে ফের নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। তবে এ বার চিকিৎসকেরা চার দিন ধরে চেষ্টা চালিয়েও বাঁচাতে পারলেন না ওই যুবককে। মৃত্যু হয়েছে শ্রীকেশ কুমার নামে ওই যুবকের।

    মোরাদাবাদে একটি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷ দেহের ময়নাতদন্ত করার জন্য মর্গে পাঠিয়েও দেওয়া হয় ৷ সেখানে দেহ ফ্রিজারে রাখা হয় প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে ৷  এরপরেই বোঝা যায়, কী সাংঘাতিক কাণ্ডটাই না ঘটে গিয়েছে ৷ ফ্রিজার থেকে বের করে ব্যক্তির চিকিৎসা শুরু হয় ৷
    কিন্তু কী ভাবে এত বড় একটা ভুল হয়ে গেল চিকিৎসকদের থেকে ! তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন ৷ একটি প্রাইভেট মেডিক্যাল সেন্টারে দুর্ঘটনার পর প্রথমে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা ওই ব্যক্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷ তবে তার থেকেও বেশি তাজ্জবের বিষয় হল, সাত ঘণ্টা ধরে ফ্রিজারে থাকার পরেও কীভাবে বেঁচে ছিলেন ওই ব্যক্তি ৷ আসলে মৃত্যুর সময় না ঘনিয়ে এলে হয়তো এমনটাই হয় ৷ কারণ ওই অবস্থা থেকে জীবিত ফেরা একপ্রকার অসম্ভবই বলা যেতে পারে ৷ শেষপর্যন্ত অবশ্য শ্রীকেশ কুমারকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি ৷
    ঘটনার তদন্ত হবে বলে আশ্বাস মোরাদাবাদ জেলা হাসপাতালের। দুর্ঘটনার পরে যে চিকিৎসক প্রথম দেখেন শ্রীকেশকে, তাঁর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে যুবকের পরিবার।
    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: