হোম /খবর /মালদহ /
মমতার সভায় আসার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু, দু'দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পেল পরিবার

Malda News: দু'দিনের মধ্যেই ক্ষতিপূরণের চেক পেল পরিবার, মুখ্যমন্ত্রীর সভায় আসার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল দু'জনের

X
title=

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় যোগ দিতে আসার পথে মালদহে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল দুই মহিলার। দু'দিনের মধ্যেই তাঁদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিল প্রশাসন

  • Share this:

মালদহ: মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল দু'জনের। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মৃতদের পরিবার পিছু ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সেই ক্ষতিপূরণের চেক পেয়েও গেল নিহতদের পরিবার। যা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে কিছুটা হলেও আশ্বস্ত করল।

জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার মঞ্চে জমির পাট্টা নেওয়ার জন্য পুরাতন মালদহের নিয়তি সরকারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কাগজ নেওয়ার জন্য একই সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সাহেলি হাঁসদার। তাঁরা দু'জন সহ মোট ৪০ জনকে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় হাজির করানোর জন্য সোমবার সন্ধেয় প্রশাসনিক উদ্যোগে বাসে করে গাজোল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু গাজোলের পান্ডুয়ায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নিয়তি সরকার ও সাহেলি হাঁসদার।

আরও পড়ুন: পুর এলাকার রাস্তা সারাই করবে জেলা পরিষদ! কুলটিতে অবাক কাণ্ড

এই দুই মহিলার মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়ে পরিবার দুটি। দুই পরিবারেরই আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই অবস্থায় পরিজনকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। তবে মঙ্গলবার মৃতদের দেহ বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই গাজোলের সভামঞ্চ থেকে পরিবার দুটিকে সমবেদনা জানিয়ে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের একজনকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেবে সরকার। ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণা মত বুধবার‌ই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রশাসন যেভাবে পরিবারগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাতে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে সুবিধা হবে।

হরষিত সিংহ

Published by:Kaustav Bhowmick
First published: