• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • Sonarpur: খেয়ে পড়ে থাকতে পারবে ওরা, ভবঘুরেদের জন্য শেল্টার

Sonarpur: খেয়ে পড়ে থাকতে পারবে ওরা, ভবঘুরেদের জন্য শেল্টার

রাজপুর সোনারপুর পৌরসভা

রাজপুর সোনারপুর পৌরসভা

রাতের শহরে কমেছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, ভবঘুরেদের জন্য শেল্টার রয়েছে সোনারপুরে

  • Share this:
    রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যে ইতিমধ্যেই অনুভূত হতে শুরু করেছে শীতের আমেজ। গোটা দেশের পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলাগুলিতে লক্ষাধিক ভবঘুরে ঘুরে বেড়ায় যত্রতত্র। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাতে এক জামা কাপড়েই কাটে এদের। কখনও আধপেটা আবার কখনও সম্পূর্ণ ভুখা পেটে বিনিদ্র রজনী গুজরান স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে, বাস স্ট্যান্ডে কিংবা ফুটপাথে। অধিকাংশ স্মৃতি ভ্রষ্ট অথবা গার্হ্যস্থ হিংসার কারণে হারিয়েছেন ঘর বাড়ি। ভবঘুরে এই সকল মানুষদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকার তৈরি করেছে দীনদইয়াল ন্যাশনাল আরবান লাইভলিহুড মিশন। সেই মিশনের আওতাধীন ভবঘুরেদের জন্য শেল্টার তৈরি হয়েছে সোনারপুরে। জেলা সহ বিভিন্ন প্রান্তের সহায় সম্বলহীন ভবঘুরেদের জন্য শেল্টার তৈরি করা হয়েছে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা এলাকায়। এজন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। যার পুরোটাই অবশ্য বহন করেছে কেন্দ্র সরকারের আবাসন ও নগর জীবন দপ্তর। চারতলা বিশিষ্ট এই শেল্টারের জন্য অবশ্য জমি দিয়েছে পুরসভাই। পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মালঞ্চ বাজারের কাছে মাহিনগরে গড়ে উঠেছে এই শেল্টার। ফলে, সোনারপুর পুর এলাকা সহ ভবঘুরেদের একটা মাথা গোঁজার স্থায়ী আস্তানা করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুর কর্তারা। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সৌমিক গোস্বামী বলেন, 'যে সমস্ত অসহায় মানুষ রাস্তায় ঘুরে বেড়ান দুবেলা, মাথার ওপর ছাদ জোটে না এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের থাকা খাওয়া পরার একটা স্থায়ী জায়গা হল। সুপ্রিম কোর্টের আদেশানুসারে কেন্দ্র সরকার বিভিন্ন পুর এলাকায় এ ধরনের শেল্টার তৈরি করছে।' পুরসভা সূত্রে খবর, মাহিনগরের রাখাল স্মৃতি মাঠের কাছে চারতলা বিল্ডিং তৈরির করা হয়েছে। যে বিল্ডিং এর গ্রাউন্ড ফ্লোর অফিসের কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। দোতলায় মেয়েদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তিন তলায় রয়েছে পুরুষদের জন্য শয্যার ব্যবস্থা। আর পরিবার সমেত যে সমস্ত ভবুঘুরেদের পাওয়া যায় তাঁদের রাখা হচ্ছে চারতলায়। কেবল বিল্ডিং করতেই তিন কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। বাকি দু কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরিতে। সহায় সম্বলহীন ভবঘুরেদের এই আস্তানা তৈরি হওয়ায় একদিকে যেমন শহরের যত্রতত্র তাদের অবস্থান কমেছে, তেমনি রাতের শহরে এই সমস্ত ভবঘুরেদের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও অনেকটা রোধ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠনের।
    First published: