• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • FISHERSMEN CAN NOT FIND HILSA

সমুদ্রে দেখা মিলছে না ইলিশের আবার জ্বালানি খরচও ঊর্ধ্বমুখী, চিন্তায় মৎস্যজীবীরা

সমুদ্রে দেখা মিলছে না ইলিশের আবার জ্বালানি খরচও ঊর্ধ্বমুখী, চিন্তায় মৎস্যজীবীরা

সমুদ্রে দেখা মিলছে না ইলিশের আবার জ্বালানি খরচও ঊর্ধ্বমুখী, চিন্তায় মৎস্যজীবীরা

  • Share this:
    রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ 24 পরগনা: বর্ষা চলছে পুরোদমে। অথচ বাঙালির পাতে অধরা ইলিশ । বাজারেও তেমন দেখা মিলছে না ইলিশের। চড়া দামের ধাক্কায় রূপোলি ইলিশ কার্যত বর্জন করতে হচ্ছে। ডায়মন্ডহারবার নগেন্দ্র বাজার মৎস আড়ৎ এ কেজি প্রতি দাম উঠে যাচ্ছে ২০০০ টাকা। সমুদ্রেও তেমন দেখা মিলছে না ইলিশের এমনটাই দাবি করছে মৎস্যজীবীরা। রাজ্যের অন্যান্য জায়গায় আরও চড়া দর ইলিশের। জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়ার কারণে গভীর সমুদ্রে ট্রলার নামাতে পারছে না বহু মৎস্যজীবী।ইয়াসের ধাক্কা সামলে যদিও জলে নামছেন মৎস্যজীবীরা, কিন্তু জ্বালানির দামের ধাক্কা সামলে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। দীর্ঘদিন পর মাছ ধরতে গিয়ে আশার আলো দেখেছিলেন মৎস্যজীবী ও মৎস্যব্যবসায়ীরা। ফলে ঘূর্ণিঝড়ে যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলেও ভেবেছিলেন। ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্র বাজার মৎস আড়ৎ তে তেমন ভাবে দেখা মিলছে না ইলিশের। ইলিশ ছাড়া অন্যান্য মাছের উপর ভর করে লাভের মুখ দেখতে চাইছে মৎস্যজীবীরা। কিন্ত মাছ উঠলেও খরচ এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে, আর্থিক ক্ষতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ইয়াসের ফলে উপকূলে বহু বরফ কল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে দূর থেকে চড়া দামে বরফ আনতে হচ্ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেঞ্চুরির পথে ডিজেলের দাম, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মাছ ধরার ক্ষেত্রে। প্রতি বছর প্রায় তিন থেকে চার হাজার ট্রলার মাছ ধরতে যায় সমুদ্রে, ছোট নৌকা ধরলে পাঁচ হাজার ছাড়াবে। কিন্তু এ বছর মাছ ধরার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সব মিলিয়ে মোট সংখ্যার অর্ধেকেরও কম ট্রলার নেমেছে জলে। কাকদ্বীপ মৎস্যজীবি ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানান, গভীর সমুদ্রে তেমনভাবেই ইলিশের দেখা মিলছে না, যেভাবে দিনের-পর-দিন জ্বালানির দাম বাড়ছে এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী দিনের এই ব্যবসা সম্পূর্ণ বন্ধের মুখে। কর্মহীন হয়ে পড়বে কয়েক হাজার মানুষ। বারবার রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ করলেও কোনো রকম সুরাহা হয়নি। অবিলম্বে জ্বালানির দাম না কমলে, আগামী দিনে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারবেনা মৎস্যজীবীরা। মাছ ধরার বিপুল খরচের জন্য মালিকরা ট্রলার নামাচ্ছেন না। ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্র বাজারে আড়ৎদার জয়ন্ত সরকার বলেন, ইলিশের দেখা তেমনভাবে মেলেনি। পর্যাপ্ত পরিমাণে ইংলিশে যোগান না থাকায়। কেজি প্রতি ইলিশের দাম ৮০০, ১০০০, ১২০০ ও ১৫০০ থেকে ২৫০০ পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে। ইলিশ কিনতে হলে খসাতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা। ট্রলার প্রতি জ্বালানি খরচ হয় অনেক টাকা । এ ছাড়াও রয়েছে আনুসঙ্গিক খরচ। গভীর সমুদ্রে যেতে খরচ হয় ৩০০ থেকে ৪০০ ব্যারেল তেল। সেই তেল খরচ করে মাছ ধরলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না দাম। তাই মধ্যবিত্তের পাতে পড়ছে না ইলিশ, মাথায় হাত পড়ছে ব্যবসায়ীদের। মৎস্যজীবীদের দাবি, যেভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে চলেছে এই রকম ভাবে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে, আগামী দিনে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়বে বহু মৎস্যজীবী।
    Published by:Pooja Basu
    First published: