• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Winter SkinCare: শীতকাল কেড়েছে ত্বকের আর্দ্রতা? এই নিয়মগুলো মেনে আবার ফিরিয়ে আনুন জেল্লা!

Winter SkinCare: শীতকাল কেড়েছে ত্বকের আর্দ্রতা? এই নিয়মগুলো মেনে আবার ফিরিয়ে আনুন জেল্লা!

Winter Skin Care: এই সময় ত্বক অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যায়

Winter Skin Care: এই সময় ত্বক অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যায়

Winter SkinCare: এই সময় ত্বক অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যায়। দেখা দেয় অ্যালার্জি , চুলকানি, র‍্যাশ।

  • Share this:

শীতকাল এলে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে ত্বক নিয়ে অনেকেই অনেক রকম সমস্যায় ভোগেন। এই সময় ত্বক অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যায়। দেখা দেয় অ্যালার্জি , চুলকানি, র‍্যাশ ইত্যাদি। ভুরুতে ভাঁজ ফেলে অনেকেই ভাবেন যে কী ভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। ময়েশ্চারাইজার, ক্রিম ইত্যাদি মাখা যায় এই সময়। কিন্তু সেটাই একমাত্র রাস্তা নয়। এগুলো ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু নিয়ম এই ঋতুতে মেনে চলতে হবে।

আরও পড়ুন : টিভি দেখতে দেখতে রাতের খাবার খান? জানেন নিজের কী ক্ষতি করছেন!

১) রাসায়নিক ময়েশ্চারাইজারের পরিবর্তে মাখন, অলিভ অয়েল, নারকেল তেল এবং মধুর মতো উপাদান ব্যবহার করতে হবে যা ত্বকের কোনও ক্ষতি ছাড়াই তার যত্ন নেবে। বাজারচলতি ময়েশ্চারাইজারে ক্ষতিকর উপাদান থাকে যা মোটেই ত্বকের জন্য ভালো নয়।

২) ম্যাট ড্রাইং লিপস্টিক, পাউডার ব্লাশ ইত্যাদি মতো প্রসাধনী এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এই সব প্রসাধনী ত্বক আরও শুষ্ক করে দেয়।

আরও পড়ুন : জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে কম্বুচা টি, জানেন কি এই চায়ের চাহিদা কেন এত বেশি?

৩) কসমেটিক ব্যাগে টিন্টেড লিপ বাম এবং হাইড্রেটিং ফাউন্ডেশনের মতো প্রসাধনী রাখতে হবে। এগুলো শীতকালে খুব কাজে দেয়। ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতে ক্রিমযুক্ত ব্লাশ এবং হাইড্রেটিং মিস্ট জাতীয় প্রসাধনী বেছে নিতে হবে।

আরও পড়ুন : দৈনিক জীবনে সামান্য এই পরিবর্তনে ওজন কমবে জলদি

৪) বাড়িতে তৈরি টোনার এবং স্ক্রাব হল সবচেয়ে ভালো। কারণ এই জাতীয় টোনার ও স্ক্রাবে কোনও ক্ষতিকর উপাদান থাকে না। দুধের গুঁড়ো এবং গ্লিসারিন দিয়ে তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ফেস মাস্ক তৈরি করতে হবে। এই মাস্ক শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। এই মাস্ক ত্বকে বাড়তি আভা এবং উজ্জ্বলতা নিয়ে আসবে। সপ্তাহে একবার বা দু'বার এটা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫) শুষ্ক এবং খসখসে ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে হবে কারণ এতে গভীর ময়শ্চারাইজিং উপাদান রয়েছে এবং এটি ত্বকে আর্দ্রতা নিয়ে আসে।

৬) এছাড়াও কিছু সাপ্লিমেন্ট ওষুধ যেমন কোলাজেন, সোডিয়াম হায়ালুরোনেট, কোএনজাইম কিউ ১০, বিটা ক্যারোটিন, অ্যাটাক্সানথিন, গ্লুটাথিয়ন, জিঙ্ক এবং সেলেনিয়াম খেতে হবে। ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল ক্যাপসুল, প্রিমরোজ অয়েল ক্যাপসুল, কড-লিভার অয়েল ক্যাপসুল এবং ডায়েটে ওমেগা ৩,৬ ,৯ সাপ্লিমেন্ট নিলে ত্বক সুন্দর হবে। আসলে এই ওষুধ বা সাপ্লিমেন্টগুলো খেতে বলা হচ্ছে কারণ এগুলো ভিতর থেকে ত্বক আর্দ্র রাখবে।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: