• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • ইউটিউবে এই ধরণের ভিডিও দেখুন, কমবে রক্তচাপ, দ্রুত হৃদস্পন্দন ও অবসাদ !

ইউটিউবে এই ধরণের ভিডিও দেখুন, কমবে রক্তচাপ, দ্রুত হৃদস্পন্দন ও অবসাদ !

 আপনার যদি মানসিক চাপ হয় আর হাতে ত্রিশ মিনিট সময় থাকে, দেরি না করে ইউটিউবে ক্লিক করুন।

আপনার যদি মানসিক চাপ হয় আর হাতে ত্রিশ মিনিট সময় থাকে, দেরি না করে ইউটিউবে ক্লিক করুন।

আপনার যদি মানসিক চাপ হয় আর হাতে ত্রিশ মিনিট সময় থাকে, দেরি না করে ইউটিউবে ক্লিক করুন।

  • Share this:

#সিঙ্গাপুর: আপনি কি জানতেন যে অর্থহীন ইন্টারনেট স্ক্রোলিং স্ট্রেসের মাত্রা হ্রাসে সহায়তা করতে পারে? ট্যুইটার এবং ফেসবুকের মতো সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নেতিবাচকতা উদ্বেগ এবং হতাশা বাড়িয়ে দেয় ঠিকই কিন্তু নেট-জগতের বাকিটা তেমন খারাপ নয়। আপনি যদি রাতে বিছানায় শুয়ে নানা ভিডিও, মজাদার টিক-টক এবং বিশেষত প্রাণীদের দুষ্টুমি দেখেন, তা হলে আপনার মস্তিষ্ক শান্ত হবে।

ইংলন্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পর্যটনের সঙ্গে যৌথভাবে এই গবেষণাপত্র ফার্স্ট স্টপ সিঙ্গাপুরে প্রকাশ পেয়েছে। এই রিপোর্ট বলছে পশুপাখিদের মজার ভিডিও দেখা আমাদের নানা ভাবে সাহায্য করে। বিশেষ করে এই ভিডিও দেখলে নাকি মানসিক চাপ ৫০% শতাংশ কমে যায়। গবেষকদের দল প্রমাণ পেয়েছিল যে কয়েক মিনিট পশুপাখির নানা দুষ্টুমির মন ভালো করে দেওয়া ভিডিও দেখলে মানসিক চাপ আর উত্তেজনা দুটোই কমে যায়। দলের স্বেচ্ছাসেবকরা যখন পশুপাখিদের ভিডিও আর ছবি দেখেছেন, তখন সেটার প্রভাব তাঁদের রক্তচাপ, হৃদস্পন্দের গতি, উত্তেজনা ইত্যাদির উপর পড়েছে বলে সমীক্ষা দাবি করছে।

খবর মোতাবেকে এই গবেষণা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে। দলে ছিলেন উনিশ জন স্বেচ্ছাসেবী। পনেরো জন ছাত্রছাত্রী এবং চার জন সংগঠনের সদস্য। ইচ্ছে করেই ডিসেম্বর মাস বেছে নেওয়া হয়েছিল, কারণ এই সময় পরীক্ষা না থাকার দরুন ছাত্রছাত্রী বিশেষ করে মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রীদের মানসিক চাপ অনেক কম থাকে।

প্রতি ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে নির্ভুল ভাবে- পশুপাখিদের মজার ভিডিও দেখার ত্রিশ মিনিট পরে রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের হার এবং উদ্বেগ কমে গেছে। হৃদস্পন্দের হার গড়ে ৬.৫% হ্রাস পেয়েছে এবং উদ্বেগ কম হয়েছে ৩৫%। সব স্বেচ্ছাসেবকের রক্তচাপ আদর্শ স্তরে নেমে এসেছে।

যদিও হৃদস্পন্দনের হার ও রক্তচাপ যন্ত্রের মাধ্যমে মাপা সম্ভব কিন্তু মানসিক চাপ ও উত্তেজনা পরিমাপ করা বেশ কঠিন। এই জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা একটি স্বমূল্যায়ন পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন। ক্লিনিকাল সেটিংয়ে এ রকম প্রায়শই হয়, একে স্টেট ট্রেট অ্যাংজাইটি ইনভেন্টারি বলে। এও দেখা গিয়েছে, মানুষ ও পশু যেখানে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তুলছে, সে সব ক্ষেত্রে সবাই ছবির চেয়ে ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করছে।

অতএব আপনার যদি মানসিক চাপ হয় আর হাতে ত্রিশ মিনিট সময় থাকে, দেরি না করে ইউটিউবে ক্লিক করুন। কেমন ভিডিও দেখবেন, সে কথা তো জানানো হয়েই গিয়েছে!

Published by:Piya Banerjee
First published: