Home /News /life-style /
Skin Care Tips: ময়েশ্চারাইজার মাখুন ত্বকের ধরন বুঝে, তবেই কাজে দেবে! বেছে নেবেন কীভাবে?

Skin Care Tips: ময়েশ্চারাইজার মাখুন ত্বকের ধরন বুঝে, তবেই কাজে দেবে! বেছে নেবেন কীভাবে?

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

আমরা সবথেকে বড় যে ভুলটা করে থাকি, সেটা হল- ত্বকের ধরন না-বুঝেই ময়েশ্চারাইজার মেখে যাই।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ত্বক যাতে শুষ্ক না-হয়ে যায় কিংবা ত্বকের জেল্লা যাতে হারিয়ে না-যায়, তার জন্য সাধারণত আমরা ময়েশ্চারাইজার (Moisturizer) ব্যবহার করে থাকি। আর ময়েশ্চারাইজার বাছাই করার ক্ষেত্রে আমরা সবথেকে বড় যে ভুলটা করে থাকি, সেটা হল- ত্বকের ধরন না-বুঝেই ময়েশ্চারাইজার মেখে যাই।

আসলে ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, ত্বকের ধরন বুঝে তবেই ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া উচিত। শুধু তা-ই নয়, ময়েশ্চারাইজার বাছাই করার আগে আবহাওয়া, জীবনযাত্রার ধরন, খাদ্যাভ্যাস, ওষুধের ব্যবহার, শারীরিক এবং ত্বকের নির্দিষ্ট সমস্যার মতো বিষয়গুলোও মাথায় রাখা জরুরি। তাই ত্বকের জন্য সঠিক ময়েশ্চারাইজারের বিষয়েই আজ আলোচনা করে নেওয়া যাক।

ত্বকের ধরনের মধ্যে অন্যতম হল- তৈলাক্ত, শুষ্ক, সাধারণ বা নর্মাল এবং সেনসিটিভ। আর সব ধরনের ত্বকের সঠিক যত্নের জন্য সঠিক ময়েশ্চারাইজার বাছাই করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: গরমে শুধু মুখেই নয়, গায়েও হয় ব্রণ; রইল এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়!

১. অয়েলি বা তৈলাক্ত ত্বকের (Oily Skin) জন্য হালকা, নন-কমেডোজেনিক (Non-comedogenic), জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার একেবারে আদর্শ। এই ধরনের ময়েশ্চারাইজার ত্বকের ভারী ও তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বককেও হাইড্রেটেড (Hydrated) রাখে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আদর্শ ময়েশ্চারাইজারগুলিতে থাকে নায়াসিনামাইডের মতো সেবাম-নিয়ন্ত্রণকারী উপাদানও। অনেকেই মনে করেন যে, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোনও ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভুল। আসলে তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও ময়েশ্চারাইজার অত্যন্ত জরুরি। কারণ ত্বকের বাঁধুনিতে সাহায্য করে ময়েশ্চারাইজারই। আর যাঁদের ব্রনর (Acne) মতো সমস্যার চিকিৎসা চলছে, তাঁদের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। তাই সেক্ষেত্রে ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে ময়েশ্চারাইজার খুবই প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: লোভে পড়লেই মুশকিল! এই গরমে কী খাবেন? কী খেলেই শরীরের দফারফা? জানুন...

২. আবার সাধারণ ত্বক বা নর্মাল স্কিনের (Normal Skin) জন্য এমন ময়েশ্চারাইজার বাছতে হবে, যার মধ্যে ক্রিমজাতীয় পদার্থ রয়েছে।

৩. শুষ্ক ত্বকের (Dry Skin) জন্য ভারী ক্রিম জাতীয় লোশন অথবা তেলভিত্তিক মলমজাতীয় ময়েশ্চারাইজারই ভালো। আসলে সাধারণ এবং শুষ্ক ত্বকের আদর্শ ময়েশ্চারাইজারে ডাইমেথিকোনের মতো সিলিকন থাকা জরুরি।

৪. সেনসিটিভ ত্বকের (Sensitive Skin) জন্য আবার প্রয়োজন ভালো লোশন (Lotion) জাতীয় ময়েশ্চারাইজার। কারণ জেলজাতীয় ময়েশ্চারাইজার দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়।

ময়েশ্চারাইজার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এর উপাদান। সেই বিষয়টার দিকেও খেয়াল রাখা জরুরি-

১. ময়েশ্চারাইজারের মধ্যে অ্যালোভেরা এবং ক্যামোমাইলের মতো উপাদান থাকলে তা মোটামুটি সব ধরনের ত্বকের জন্য প্রশান্তিদায়ক হয়। ফলে ময়েশ্চারাইজারে এই জাতীয় উপাদান থাকলে তো কথাই নেই।

২. এছাড়া তৈলাক্ত ত্বকের ময়েশ্চারাইজারে পেট্রোলিয়াম জেলি, ল্যানোলিনের মতো উপাদান থাকা উচিত নয়। সেই জায়গায় হায়ালুরোনিক অ্যাসিড এবং ক্যাওলিন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য দারুণ উপাদান।

৩. আবার সেনসিটিভ ত্বকের জন্য প্রয়োজন কম গন্ধযুক্ত এবং কৃত্রিম রঙহীন উপাদান।

৪. ময়েশ্চারাইজারে যদি অ্যান্টিএজিং উপাদান থাকে, তাহলে তা ত্বকের জন্য ভীষণই উপকারী।

৫. এছাড়া ময়েশ্চারাইজার বাছাইয়ের আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এসপিএফ-যুক্ত ময়েশ্চারাইজার দিনের বেলায় এবং অ্যান্টি-এজিং উপাদানযুক্ত ময়েশ্চারাইজার রাতে ব্যবহার করা উচিত।

First published:

Tags: Skin Care

পরবর্তী খবর