Social Media Rules for Minors: ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে বড় বদল! ১৩ না কি ১৬... কত বছর বয়সে অবাধে চালানো যাবে সোশ্যাল মিডিয়া? জানুন নতুন নিয়ম
- Published by:Ananya Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Social Media Rules for Minors: শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষায় বয়সভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ম আনার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ও স্ক্রিন টাইম সীমা নিয়ে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
কেন্দ্র সরকার শিশু ও কিশোরদের (মাইনর) সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন প্ল্যান নিয়ে ভাবছে। সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার বদলে বয়সভিত্তিক আলাদা আলাদা অনুমতির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিল্পমহল ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এতে বয়স অনুযায়ী প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, স্ক্রিন টাইমের সীমা, কিছু ফিচারের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং প্ল্যাটফর্মগুলির দায়িত্ব বাড়ানোর মতো প্রস্তাব রয়েছে।
advertisement
এখনও পর্যন্ত বয়সসীমা কত হবে তা চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনায় ১৩ বছরের কম এবং ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে কথা হচ্ছে।অধিকারিকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে যে সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে তা যথেষ্ট নয়। শিশুরা সহজেই ভুয়ো বয়স দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ফেলে। গ্রামাঞ্চল এবং আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারে একটি ফোন অনেকের মধ্যে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা হয়, ফলে বয়স যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে।
advertisement
সরকারের মূল লক্ষ্য হল শিশুদের অনলাইনে ক্ষতিকর বিষয়বস্তু থেকে রক্ষা করা। তবে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া, প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও দায়িত্বশীল করা এবং ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স যাচাইয়ের পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
advertisement
নতুন নিয়ম কার্যকর করতে সমস্যা হতে পারে!বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি বয়সসীমা ১৬ বা ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়, তাহলে প্ল্যাটফর্মগুলিকে তাদের নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে। পাশাপাশি গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ এবং কিছু শিশুর অ্যাক্সেস সীমিত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় যেখানে একটি ডিভাইস পুরো পরিবার ব্যবহার করে, সেখানে এই নিয়ম বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জিং হবে।
advertisement
সরকার এখনও বিভিন্ন মডেল নিয়ে ভাবছে, যেমন বয়সভিত্তিক আলাদা আলাদা স্তরের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা। এই বিষয়ে আইটি নিয়মে পরিবর্তন এনে তা কার্যকর করা হতে পারে। এই পদক্ষেপ শিশুদের সুরক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া হলেও, গোপনীয়তা, বাস্তবায়নের সমস্যা এবং ডিজিটাল অ্যাক্সেস সীমিত না করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সব পক্ষের মতামত নিয়েই সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।









