Home /News /life-style /
Social Media Post on Kids: সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্তানের মিষ্টি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

Social Media Post on Kids: সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্তানের মিষ্টি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

সন্তানের রোজনামচাও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক নয়, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের

সন্তানের রোজনামচাও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক নয়, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের

Social Media Post on Kids:জেনে নেওয়া যাক, সন্তানের বিষয়ে কোন কোন তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক নয়৷

  • Share this:

#কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) আমাদের জীবনে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে৷ ভাল-মন্দ, আনন্দ-দুঃখ, আবেগ-উচ্ছ্বাস- এই সব অভিব্যক্তি শেয়ার করার মাধ্যম হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি৷ আসলে যান্ত্রিক জীবনে (Mechanical Life) একটুকরো খোলা হাওয়ার মতো কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়া৷

কিন্তু আসলে কি তা-ই? কারণ সোশ্যাল মিডিয়ার আনাচেকানাচে ওঁত পেতে থাকে বিপদ৷ তাই নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়ে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কিছু শেয়ার করার আগে সতর্ক হওয়া উচিত৷ অনেকেই আজকাল সন্তানের বেড়ে ওঠার নানা রঙিন মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে থাকেন (Post on Kids) ৷ এতে হয়তো কোনও সমস্যা নেই, কিন্তু এর ফলে সন্তান কিন্তু বিপদেও পড়তে পারে৷ আসলে সোশ্যাল মিডিয়া বড়দের জন্য তো নিরাপদ নয়ই, এমনকী ছোটদের জন্যও নিরাপদ নয়! তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও কিছু বিশেষ করে শিশুসন্তানের বিষয়ে শেয়ার করার আগে সতর্ক হতে হবে৷ জেনে নেওয়া যাক, সন্তানের বিষয়ে কোন কোন তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক নয়৷

সন্তানের বিষয়ে কোনও পোস্ট:

আমরা প্রায় সকলেই জানি যে, সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছবি শেয়ার করার অর্থই হল বিপদকে আমন্ত্রণ জানানো৷ কারণ ছবি চুরি করে অনেকেই তার অপব্যবহার করতে পারে৷ শিশুদের ক্ষেত্রেও ঠিক তা-ই৷ আসলে শিশুদের বিষয়ে বাবা-মায়েরা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনেক সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করে থাকেন৷ সেই সব তথ্যও কিন্তু চুরি হতে পারে৷ অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে নিজের সন্তানের গ্রুপ ছবি শেয়ার করার আগে তাদের মা-বাবাদের অনুমতি নেওয়াটাও কিন্তু জরুরি৷

আরও পড়ুন : মুঠোবন্দি মাছ-ম্যাজিক! ‘ভিল ফুড’-এর ঠাকুমার রেসিপিতে আপনিও রাঁধুন চিতলের মুইঠ্যা

সন্তানের স্থান-ঠিকানা:

সন্তান কোথায় যায়, কোন রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে, কিংবা কোন স্কুলে পড়ে--এই সব তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা উচিত নয়৷ এমনকী নিজের ঠিকানাও শেয়ার না করাই ভাল৷ এতেও সন্তানের বিপদ হতে পারে৷ আসলে এই সব তথ্য শেয়ার হলে কিডন্যাপাররা তার অপব্যবহার করতে পারে৷ এমনকী, সন্তানের রোজনামচাও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ঠিক নয়, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের৷

সন্তানের পোশাকবিহীন ছবি:

শিশু হয় তো জামা-প্যান্ট পরে নেই, বা তার পোশাক পরিবর্তন করানো হচ্ছে--এই ধরনের ছবি অথবা ভিডিও অনেক মা-বাবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন৷ এটা একেবারেই ভুল৷ এই ছবি যদি কোনও দুষ্কৃতীর হাতে পড়ে, তা হলে তার ফল ভুগতে হবে আপনার সন্তানকেই৷ তাই যে কোনও বয়সের যে কোনও মানুষের পোশাকবিহীন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ঠিক নয়৷

আরও পড়ুন : ছাগলছানার পিঠে সওয়ার খুদে বাঁদর, বন থেকে বেরিয়ে বাহন-সওয়ারির সানন্দে ফলভক্ষণের ভাইরাল ভিডিও দেখুন

সন্তানের ব্যক্তিগত তথ্য:

শিশুর কোনও আইডেন্টিটি কার্ড, মেডিক্যাল রেকর্ড- এ সবও শেয়ার করা উচিত নয়৷ কারণ এই তথ্য এক বার ইন্টারনেট হ্যাকারদের হাতে পড়লে তার অপব্যবহার হতে পারে৷ আর তা সন্তানের জন্য যথেষ্ট ঝুঁকির বিষয়৷

সন্তানের কোনও সমস্যা ও বদভ্যাস:

সন্তানের কোনও মানসিক অথবা শারীরিক সমস্যা রয়েছে, কিংবা কোনও একটা বদভ্যাস রয়েছে, সেটা কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা উচিত নয়৷ এটা সেই শিশুর দুর্বলতার প্রকাশ ঘটায়৷ তাই এমন কিছু শেয়ার করা উচিত নয়, যার মাধ্যমে চাইল্ড শেমিং করা হয়৷

সন্তানের বায়না:

অনেক সময় হয় তো বাচ্চারা ঘ্যানঘ্যান করছে অথবা বায়না করছে, এটা দেখতে মিষ্টি লাগছে হয়তো, তাই মা-বাবারা ভিডিও রেকর্ড করে অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপে অথবা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন৷ এতে হয় তো প্রচুর লাইক আর প্রচুর কমেন্ট পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু শিশুর নিরাপত্তায় ব্যাঘাত ঘটে৷ পরবর্তী কালে সন্তান নিজে যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলবে, তখন সে এই কারণেই ঠাট্টার খোরাক হতে পারে৷

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Social Media

পরবর্তী খবর