• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • ONE IN FOUR CORONAVIRUS PATIENTS GET COVID TONGUE SOME HAVE BURNING HANDS AND FEET STUDY AC

জিভে সাদা আস্তরণ, জ্বালা ভাব; করোনা-রোগীদের নতুন এই উপসর্গ ক্রমশ চিন্তার বিষয় দাঁড়াচ্ছে

এই উপসর্গগুলিও করোনার উপসর্গের তালিকায় সামিল করা হোক

এই উপসর্গগুলিও করোনার উপসর্গের তালিকায় সামিল করা হোক

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: এবার উঠে এল এক নতুন তথ্য। প্রতি ৪ জন করোনা-রোগীর মধ্যে ১ জনের শরীরে মিলছে এক নতুন উপসর্গ। মুখের মধ্যে আলসারের পাশাপাশি জিভে প্রদাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। কারও জিভের রং বদলে একটা সাদা আস্তরণ পড়ছে। কারও জিভে পুড়ে যাওয়া বা একটা জ্বালা-জ্বালা ভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। চিকিৎসক ও গবেষকরা এই নতুন উপসর্গকে কোভিড টাং (Covid Tongue) নাম দিয়েছেন। তবে, জিভের পাশাপাশি অনেকের হাতে-পায়েও এই ধরনের উপসর্গ মিলেছে। সম্প্রতি মাদ্রিদের হসপিটাল ইউনিভার্সিতারিও লা পাজ-এর এক গবেষণায় উঠে এল এই তথ্য। ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসকে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা। তাঁদের আবেদন, এই উপসর্গগুলিও করোনার উপসর্গের তালিকায় সামিল করা হোক।

২০২০ সালের ১০-২৫ এপ্রিলের মধ্যে সমীক্ষাটি করা হয়েছে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি-তে প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনা-আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রাথমিক ভাবে ২৬ শতাংশের মুখের ভিতরে নানা ধরনের ব়্যাশ বেরিয়েছে। এমনকি হাতে ও পায়ে ব়্যাশ দেখা গিয়েছে। শেষমেশ সংখ্যাটা পৌঁছেছে ৪৬ শতাংশে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হল রোগীদের জিভের অবস্থা। এদের মধ্যে ৬.৯ শতাংশের মুখে আলসার বা ঘা দেখা গিয়েছে। এদের মধ্যে আবার ৬.৬ শতাংশের জিভে একটা পুড়ে যাওয়া ভাব বা প্রদাহের চিহ্ন লক্ষ্য করা গিয়েছে। জিভের এই ঘা-কে চিকিৎসাবিদ্যায় গ্লসিটিস (Glossitis) বলে। অনেকের ক্ষেত্রে জিভের রং বদলে ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু অংশ ফুলে গিয়েছে। দ্য সান-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনেও এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সমীক্ষা ও সেই প্রতিবেদন সূত্রে খবর প্রায় ৪ শতাংশ রোগীর জিভের উপরে একটি সাদা রঙের আস্তরণ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ওই গবেষণা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ১৫ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে হাতের তালু ও পায়ের উপরের দিকে বাদামি রঙের ছোপ ছোপ দাগ দেখা গিয়েছে। ৭ শতাংশেরও বেশি রোগীর শরীরে এরিথ্রোডাইসেসথেসিয়া (Erythrodysesthesia) লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই রোগীদের কথায়, শরীর জুড়ে জ্বালাজ্বালা ভাব, একটা অস্বস্তি ও প্রবল দুর্বলতা অনুভব হচ্ছে।

এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গবেষণার নেতৃত্বে থাকা ড. আলমুদেনা নুনো-গোঞ্জালেজ জানিয়েছেন, রোগীরা ভর্তি হওয়ার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরই এইরকম নানা ধরনের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। এদের মধ্যে ওরাল ক্যাভিটির সংখ্যা একটু বেশি। এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া যাবে।

একই কথা বলেছেন কিংস কলেজ লন্ডনের এক এপিডেমিওলজিস্ট টিম স্পেক্টর। তিনিও বেশ কয়েকজন রোগীর ঠিক একইরকম জিভের ছবি শেয়ার করেছেন।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: