• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Brain: ডান না কি বাম, মস্তিষ্কের কোন দিক দিয়ে আপনি বেশি ভাবেন? তাতে কী হয় জানেন!

Brain: ডান না কি বাম, মস্তিষ্কের কোন দিক দিয়ে আপনি বেশি ভাবেন? তাতে কী হয় জানেন!

আপনার ক্ষেত্রে কোনটি? (প্রতীকী চিত্র)

আপনার ক্ষেত্রে কোনটি? (প্রতীকী চিত্র)

Brain: বিজ্ঞানসম্মত ভাবেই মানুষের মস্তিষ্কে ডান এবং বাম, দু'টি ভাগ রয়েছে। যাদের দক্ষতা এবং সক্ষমতা বিপরীতধর্মী।

  • Share this:

#কলকাতা: আদর্শগত ভাবে একজন মানুষ বামন্থী বা ডানপন্থী হন। তবে মস্তিষ্কেরও ডান এবং বাম ভাগ আছে। এবং মানুষের চিন্তা-ভাবনা, চাহিদা, ইচ্ছা-অনিচ্ছা তার দ্বারা প্রভাবিত হয়। আবহমান কাল ধরে এমনই বিশ্বাস চলে আসছে।

বিজ্ঞানসম্মত ভাবেই মানুষের মস্তিষ্কে ডান এবং বাম, দু'টি ভাগ রয়েছে। যাদের দক্ষতা এবং সক্ষমতা বিপরীতধর্মী। ডান অংশটি সৃজনশীলতা এবং আবেগে ভরপুর। এবং বাম অংশটি সেই সৃজনশীলতা, আবেগ ও যুক্তি-বুদ্ধির রাশ ধরে থাকে।

কোনও মানুষের উপর ডান না বাম মস্তিষ্কের প্রভাব বেশি, তা তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থেকেই অনেকটা আন্দাজ করা যায়। সেই অনুযায়ী ব্যক্তির চিন্তা-ভাবনা, অঙ্গভঙ্গি, আচরণ নিয়ন্ত্রিত হয়।

আরও পড়ুন: রোজ গোছা গোছা চুল পড়ছে? অবিলম্বে ডায়েট থেকে বাদ দিন এই ৫টি খাবার

ডান মস্তিষ্ক-বাম মস্তিষ্ক তত্ত্ব কি কেবলই মিথ?

মস্তিষ্কে বাম ও ডান, দু'টি অংশ রয়েছে, এই তত্ত্বের জন্যই নোবেল পুরস্কার পান বিজ্ঞানী রজার ডব্লিউ স্পেরি। তার পর থেকেই সামনে আসে ডান মস্তিষ্ক ও বাম মস্তিষ্কের তত্ত্ব। বলা হয়ে থাকে, মস্তিষ্কের দু'টি ভাগের চিন্তা-ভাবনার ধরন ভিন্ন। মস্তিষ্কের যে দিকটা বেশি প্রভাবশালী, মানুষের চিন্তা-ভাবনা, পছন্দ-অপছন্দে তার ছাপ পড়ে। সেখান থেকেই, যুক্তিবাদী, বাস্তববাদী মানুষদের বাম মস্তিষ্ক এবং সৃজনশীল, চিন্তাশীল মানুষদের ডান মস্তিষ্কের অধিকারী হিসেবে ধরা হয়।

যদিও বিজ্ঞানসম্মত ভাবে এমন কোনও বিভাজন রেখা টানা হয়নি। বরং বলা হয়েছে, মস্তিষ্কের দু'টি ভাগ একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত এবং পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের ডান অংশ বাম দিকের পেশিগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর ডান অংশ বাম দিকেরগুলিকে। তাই মস্তিষ্কের একটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, অন্য অংশকেও ভুগতে হয়।

আরও পড়ুন: শীতকালে গড়ে প্রায় দেড় কেজি পর্যন্ত ওজন বাড়ে! শুরুতেই সাবধান না হলে বিপদ

তাই বেশিরভাগ গবেষকই মনে করেন, এমন তত্ত্বের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। পুরোটাই মিথ। মস্তিষ্কের দু'টি ভাগ সমান সক্রিয় হলেই মানুষ পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। তাহলে এমন ধারণা এল কোথা থেকে? মানবজাতির ‘এটা বা ওটা’ এই সরল বাইনারি পদ্ধতির প্রতি সহজাত ঝোঁক রয়েছে। সেটা দিয়েই তারা বিশ্বকে দেখে থাকে। এছাড়া ‘ডানহাতি’ বা ‘বাঁহাতি’ হওয়ার প্রচলিত ধারণা থেকেও এই তত্ত্বের উদ্ভব হতে পারে। তবে তার পরেও কারা মস্তিষ্কের ডান দিক দিয়ে বেশি ভাবেন আর কারা বাম দিক দিয়ে, তার একটা প্রচলিত সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয় ব্যক্তিত্বের ভিত্তিতে।

ডান মস্তিষ্কের অধিকারী মানুষদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য

বাম মস্তিষ্ক, ডান মস্তিষ্কের থিয়োরি অনুযায়ী, ডান মস্তিষ্কের মানুষেরা চিন্তাশীল এবং আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। এছাড়াও যে সব বিশিষ্ট আছে-

১। সৃজনশীল এবং বলিয়ে-কইয়ে।

২। এঁরা দুর্দান্ত পড়ুয়া হন।

৩। কল্পনাবিলাসী এবং শৈল্পিক চেতনার অধিকারী।

৪। মারাত্মক স্মৃতিশক্তির অধিকারী।

বাম মস্তিষ্কের অধিকারী মানুষদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য-

থিয়োরি অনুযায়ী এঁরা বিশ্লেষণাত্মক যুক্তিবাদী এবং বাস্তবধর্মী হন। নিজেদের কাজ নিয়ে এঁরা অত্যন্ত সচেতন। এছাড়া-

১। একাধিক ভাষায় ব্যুৎপত্তি থাকে। মাতৃভাষায় দখল অসাধারণ।

২। অঙ্কে ভালো।

৩। যুক্তিসম্মত চিন্তা-ভাবনার অধিকারী।

৪। ক্রিটিকাল থিঙ্কিংয়ে পারদর্শী।

First published: