লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা রুখতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ জন্ম দিল সুপার গনোরিয়ার

করোনা রুখতে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ জন্ম দিল সুপার গনোরিয়ার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে এই করোনা অতিমারিকে প্রশমিত করার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় বহু পরিমাণে প্রয়োগ করা অ্যান্টিবায়োটিক হয়ে উঠেছে মানব দেহে পাওয়া অত্যাধুনিক গনোরিয়ার প্রধান কারণ।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: 'বিষে বিষক্ষয়' প্রবাদটির সঙ্গে সকলে পরিচিত হলেও আজ সেই প্রবাদ ভঙ্গুর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে এই করোনা অতিমারিকে প্রশমিত করার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় বহু পরিমাণে প্রয়োগ করা অ্যান্টিবায়োটিক হয়ে উঠেছে মানব দেহে পাওয়া অত্যাধুনিক গনোরিয়ার প্রধান কারণ। নতুন বছরে পা ফেলার আগেই নতুনরূপী করোনার হানায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিশ্বে। ব্রিটেন করোনার টিকাকরণের অনুমতি দিয়েও মাথা নত করতে বাধ্য হল অতিমারির কাছে। ভ্যাকসিন কাজ করবে কি না তা নিয়ে চলা জল্পনার মাঝে ইতিমধ্যে নয়া করোনা স্ট্রেনকে আটকানোর বিভিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থা শুরু করে দিয়েছে ইংল্যান্ড। ব্যাস! তখনই নতুন করে খবর এল, মানবদেহে পাওয়া সুপার গনোরিয়া হয়ে উঠেছে এক অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। কারণ করোনা চিকিৎসায় প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হয়ে উঠেছে সুপার গনোরিয়ার মূল কারণ।

সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিস-এর তালিকায় এইচ.আই.ভি এবং এইচ.পি.ভি-র পরেই আসে গনোরিয়ার নাম। 'নেইসেরিয়া গনোরিয়া' নামক একটি ব্যাকটেরিয়া এই রোগের প্রধান কারণ। এই ব্যাকটেরিয়ার অপর নাম 'গনোক্কাস', যা পাওয়া যায় নারী বা পুরুষের মূত্রনালীতে এবং এটি ছড়ায় অসুরক্ষিত যৌন মিলন থেকে।

সুপার গনোরিয়া, অত্যন্ত ভয়াবহ একটি রোগ। গনোরিয়া তখনই সুপার গনোরিয়াতে পরিণত হয়ে যখন তার উপর একই অ্যান্টিবায়োটিক ক্রমাগত ব্যবহার করতে করতে ওষুধটি নিজেই একটা সময় অকেজ হয়ে যায়। ফলে এই ব্যাকটেরিয়া হয়ে ওঠে রেসিস্ট্যান্ট এবং বেড়ে যায় তার রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা। অত্যন্ত শক্তিশালী সেই অ্যান্টিবায়োটিক "এজিথ্রোমাইসিন"-এর ব্যবহার করোনাকে আটকাতে গিয়ে জন্ম দিচ্ছ সুপার গনোরিয়ার। এজিথ্রোমাইসিন হল সাধারণত গলার রোগ এর প্রধান উপশম। কিন্তু এই বছরের শুরুতে চিকিৎসকেরা করোনা মোকাবিলায় এজিথ্রোমাইসিন-এর সঙ্গে হাইড্রোক্লোরোকুইন যুক্ত করে প্রয়োগ করছিল। কিন্তু কোনও উপযুক্ত চিকিৎসা সংস্থা প্রমান দিতে পারেনি যে এই দুই ওষুধের প্রয়োগ করাটা আদেও যুক্তি সম্পন্ন কি না। ল্যানসেট ম্যাগাজিন থেকে জানা গিয়েছে যে, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ক্যাথরিন. ই. ওল্ডেনবার্গ এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও এম.ডি, পি.এইচ. ডি পুরস্কৃত থুই ডোন বলেছেন যে এজিথ্রোমাইসিন যে করোনার উপযুক্ত উপশম, তার কোনও প্রমাণ নেই। প্রমাণহীন এই চিকিৎসা হয়ে উঠেছে আরও ক্ষতিকর৷ তারই একটি বড় প্রমাণ মানবদেহে পাওয়া সুপার গনোরিয়া। এন. আই. এইচ এর মতে হাইড্রোক্লোরোকুইন আর এজিথ্রোমাইসিন ছাড়াই চিকিৎসা করে যেতে হবে চিকিৎসকদের।

Published by: Somosree Das
First published: December 28, 2020, 8:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर