Whole Grains In Your Daily Diet: প্রতিদিনের ডায়েটে থাক দানা শস্য, জটিল এই সব রোগ ঘেঁষবে না কাছে

সাধারণত ওটমিল, পপকর্ন, মিলেট, কিনোয়া, ব্রাউন রাইস, বার্লি, গম এগুলোকে দানা শস্য বলা যেতে পারে।

সাধারণত ওটমিল, পপকর্ন, মিলেট, কিনোয়া, ব্রাউন রাইস, বার্লি, গম এগুলোকে দানা শস্য বলা যেতে পারে।

  • Share this:

#কলকাতা:

বহু বছর ধরে আমাদের ডায়েটে দানা শস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দানা শস্য খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন দানা শস্য খেলে হার্ট ভালো থাকে, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস কম হয় এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। সাধারণত ওটমিল, পপকর্ন, মিলেট, কিনোয়া, ব্রাউন রাইস, বার্লি, গম এগুলোকে দানা শস্য বলা যেতে পারে।

এতে আছে প্রচুর পুষ্টি আর ফাইবার

দানা শস্যের মাধ্যমে শরীরে পৌঁছায় নানা পুষ্টিগুণ, খনিজ, ফাইবার, ভিটামিন, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্ভিজ উপাদান। এছাড়াও এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।

হার্টের অসুখ কম করে

দানা শস্য খাওয়ার সব চেয়ে বড় উপকারিতা হল এটি হার্ট সুরক্ষিত রাখে এবং হার্টের নানা সমস্যা দূর করে।

স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা কমায়

যেহেতু দানা শস্য হার্টের জন্য খুবই উপকারী সেহেতু এটি স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে

অনেক সময় দেখা যায় যে কোনও রোগের উৎস আটকে আছে ওজনের উপর। অর্থাৎ ওজন যত বেড়েছে রোগের প্রকোপ তত বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা থাকে না। তাই ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম করে

পরিশোধিত শস্যের পরিবর্তে দানা শস্য খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারের মতো পুষ্টিকর উপাদান দানা শস্যে থাকার জন্য টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সহজে নিয়ন্ত্রিত হয়।

খাবার হজমে সহায়তা করে

ফাইবার সমৃদ্ধ দানা শস্য সহজে হজম হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না।

দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ হ্রাস করে

প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় দানা শস্য ব্যবহার করলে প্রদাহ কমে যায়, যা অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের মূল উৎস।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে

দানা শস্য ক্যানসার, কোলোরেক্টাল ক্যানসারের মতো মারণ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়

যখন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়, অকাল মৃত্যুর ঝুঁকিও অনেক কমে যায়। দানা শস্য স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

First published: