• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Benefits of facial steaming : সপ্তাহে মাত্র এক বার বাষ্পের স্পর্শ, আপনার ত্বক থেকে দূরেই থাকবে বয়স

Benefits of facial steaming : সপ্তাহে মাত্র এক বার বাষ্পের স্পর্শ, আপনার ত্বক থেকে দূরেই থাকবে বয়স

Benefits of facial steaming : বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই রূপটান৷ পাশাপাশি তৈরি করে কোলাজেন

Benefits of facial steaming : বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই রূপটান৷ পাশাপাশি তৈরি করে কোলাজেন

Benefits of facial steaming : বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই রূপটান৷ পাশাপাশি তৈরি করে কোলাজেন

  • Share this:

    ত্বককে ডিটক্সিফাই (detoxification) করার ক্ষেত্রে ফেশিয়াল স্টিম বা মুখে বাষ্পের স্পর্শ দেওয়া খুবই জনপ্রিয় এবং আলোচিত এখন৷ রিল্যাক্সিং এই পদ্ধতি খুব সহজেই করা যায় বাড়িতে৷ ত্বকের উজ্জ্বলতা জন্য স্টিম খুব উপকারী৷ ফিল গুড অনুভূতির পাশাপাশি স্টিমিংয়ের ফলে পোরস উন্মুক্ত করে ত্বককে ঝলমলে করে তোলে স্টিমিং (facial steaming)৷ ফেসিয়াল স্টিমিং-এর অ্যান্টি এজিং উপকারিতা আছে৷ অর্থাৎ বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই রূপটান (benefits of facial steaming)৷ পাশাপাশি তৈরি করে কোলাজেন৷

    প্রখ্যাত ত্বক বিশেষজ্ঞ ডক্টর নিকেতা সোনাভেন সম্প্রতি ফেশিয়াল স্টিমিং নিয়ে একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন৷ এই রূপটান নিয়ে যাবতীয় নেতিবাচক ধারণা দূর করেছেন নিকেতা৷ এক কথায় বলেছেন, এই রূপচর্চা ত্বকের জন্য খুবই ভাল৷ তাঁর কথায়, ত্বকের পোরস বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্ল্যাক হেডস সরানো, মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেলা এবং তৈলাক্ত সেবাম দূর করার মতো গুরুত্বূপূর্ণ কাজ করে সিরাম৷

    আরও পড়ুন : বাকি সব বাদ দিন, তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে নিন সিরাম

    দোকান থেকে নামী ব্র্যান্ডের সিরাম কিনুন৷ কী করে ব্যবহার করবেন? সে নির্দেশও দিয়েছেন নিকেতা৷ বলেছেন, প্রথমে ত্বক ডাবল ক্লিনঞ্জিং করতে হবে৷ তার পর হাতের আলতো স্পর্শে সিরাম লাগিয়ে দশ মিনিট ধরে মালিশ করতে হবে৷ এর পর আপনার ত্বকের উপযুক্ত ফেসপ্যাক দিন৷ ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন৷ হাতের কাছে ফেসপ্যাক না থাকলে চালের গুঁড়ো জলে ভিজিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন৷ সেই মিশ্রণ ব্যবহার করুন ফেসপ্যাক হিসেবে৷ একদম শেষে মুখে মাখুন অ্যালোভেরা জেল৷

    আরও পড়ুন : শীত এলেই চুল রুক্ষ হয়ে যায়? রোজ অনেক চুল উঠে যায়? মেনে চলুন এই ঘরোয়া রূপরুটিন

    বাষ্প বা স্টিমের প্রভাবে ত্বকের ছিদ্রমুখ বা পোরস খুলে যায়৷ ডিপ ক্লিঞ্জিং হয়ে ত্বক ঝলমল করে৷ ব্ল্যাকহেডস নরম হয়ে যায়৷ ফলে স্ক্রাবিং-এর সময় সহজেই তুলে ফেলা যায়৷ নিয়মিত স্টিম নেওয়ার ফলে ব্লাড সার্কুলেশন মসৃণ হয়৷

    আরও পড়ুন : ফ্রায়েড রাইস রান্নার সময় কড়াইয়ের গায়ে চাল আটকে যায়? রইল মাস্টারশেফের সমাধান

    বাড়িতে স্টিম নিলে চুলের ব্যাপারে সতর্ক হন৷ দেখবেন চুল যেন স্টিমের সংস্পর্শে না আসে৷ চোখ বন্ধ রাখবেন৷ মুখের কাছ থেকে স্টিমার-কে বেশ কয়েক ইঞ্চি দূরে রাখবেন৷ তবে অতিরিক্ত স্টিমিং ত্বককে শুষ্ক করে তোলে৷ তাই ৭ থেকে ৮ মিনিটের বেশি স্টিমিং করবেন না ৷ সপ্তাহে এক বার ফেশিয়াল স্টিমিং যথেষ্ট আপনার ত্বকের জন্য ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: