• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • WB Govt Food Delivery: কন্টিনেন্টাল থেকে বাঙালি খানা! কোভিড আক্রান্তদের বাড়িতে রান্না খাবার পৌঁছবে রাজ্য, জানুন বিস্তারিত...

WB Govt Food Delivery: কন্টিনেন্টাল থেকে বাঙালি খানা! কোভিড আক্রান্তদের বাড়িতে রান্না খাবার পৌঁছবে রাজ্য, জানুন বিস্তারিত...

কোভিড আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি খাবার

কোভিড আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি খাবার

WB Govt Food Delivery service: চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই খাবার তৈরি করছেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। 

  • Share this:

#কলকাতা : করোনা আক্রান্তদের এবার বাড়িতে তৈরি খাবার। আজ থেকে পরিষেবা চালু করল রাজ্য সরকার।রাজ্য পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে এই কাজ হবে। কমপ্রিহেনসিভ এরিয়া ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এই পরিষেবা দেবে। মেনুতে থাকছে সুষম আহার। ব্রাউন রাইস, চিকেন, সবজি ও ফল দেওয়া হবে।কন্টিনেন্টাল প্লেটের দাম পড়বে ১৫০ টাকা।বাঙালি খানা প্লেটের দাম পড়বে ২০০ টাকা।

আরও পড়ুন: বুধবার থেকেই আবহাওয়ার বদল রাজ্যে! কেমন থাকবে আগামী ২৪ ঘণ্টা? জানুন পশ্চিমবঙ্গের আপডেট..

দফতরের স্পেশাল সেক্রেটারি সৌম্যজিত দাস জানিয়েছেন, ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ,ফেসবুক বা ওয়েবসাইটে করা যাবে বুকিং। সকাল ৯'টার মধ্যে অর্ডার দিতে হবে। ঠিকানা ও ফোন নাম্বার সহ। 7001376076, 6290225859 ও 9163123556 নাম্বারে অর্ডার দিতে হবে।প্যাকেট স্যানিটাইজ করে দেওয়া হবে। লাগবে না কোনও ডেলিভারি চার্জ।কলকাতা ও পাশ্ববর্তী এলাকায় আপাতত দেওয়া হবে পরিষেবা।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে? এই নম্বরে যোগাযোগ করলেই খাবার পাঠাবে সরকার! জানুন বিস্তারিত...

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী পুলক রায় জানিয়েছেন, ”রাজ্য পঞ্চায়েত এবং গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোভিড-সংক্রমিত ব্যক্তিদের হোম ডেলিভারি পরিষেবার মাধ্যমে সুষম খাদ্য সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” আজ থেকেই এই পরিষেবা শুরু হয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন বহু মানুষ।

নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যের প্রতিটি জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা করোনা আক্রান্তদের পরিবারের জন্য বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতে। জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি এই কাজ করবে রাজ্য পুলিশও। করোনায় আক্রান্ত কোনও মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন:"আমারও মনে হয়, গ্রুপ লেফট করি…" শান্তনু প্রসঙ্গে মুখ খুলেই যা বললেন দিলীপ ঘোষ!

ফুড ইনচার্জ শ্রীতমা রায় জানিয়েছেন, "চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই খাবার তৈরি করা হয়েছে। সেই পরিমাণ মতোই খাবার দেওয়া হচ্ছে।"  এবার শুকনো খাবারের পাশাপাশি পৌঁছে দেওয়া হবে রান্না করা খাবারও। কারণ বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, করোনা আক্রান্তের পক্ষে রান্না করা সম্ভব হয় না। কোথাও আবার গোটা পরিবার সংক্রমিত হচ্ছে। ফলে দুর্বল শরীরে রান্না করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। অথচ সুস্থ হতে ওষুধের পাশাপাশি পথ্যও দরকার। তাই এই উদ্যোগ নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার।

আবির ঘোষাল

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: