Home /News /kolkata /
সিভিক ভলান্টিয়ার কাণ্ড: সুপার কিলার সন্দেহে আটক ২

সিভিক ভলান্টিয়ার কাণ্ড: সুপার কিলার সন্দেহে আটক ২

নিজস্ব চিত্র ৷

নিজস্ব চিত্র ৷

সোমবার সকালে প্রথমে শম্পার স্বামী সুপ্রতিম ও পরে শাশুড়ি মীরা দাসকে আটক করেছিল পুলিশ ৷ তাঁদের জেরা করে জানা যায়, ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে শম্পাকে ৷ এরপর থেকেই সুপারি কিলারদের খোঁজ শুরু করেছিল পুলিশ ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: কৈখালি সিভিক ভলান্টিয়ার খুন কাণ্ডে আটক করা হল আরও দু’জনকে ৷ সুপারি কিলার সন্দেহে ওই দু’জনকে আটক করে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ ৷ সোমবার সকালে প্রথমে শম্পার স্বামী সুপ্রতিম ও পরে শাশুড়ি মীরা দাসকে আটক করেছিল পুলিশ ৷ তাঁদের জেরা করে জানা যায়, ভাড়াটে খুনি লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে শম্পাকে ৷ এরপর থেকেই সুপারি কিলারদের খোঁজ শুরু করেছিল পুলিশ ৷ ঘটনায় যুক্ত থাকার অনুমানে শম্পার বাড়ির পরিচারিকাকেও আজ সকালেই আটক করেছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা ৷ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাঁকেও ৷ জেরায় স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন সুপ্রতিম ৷ নিজে প্রতিবন্ধী হওয়ায় ভাড়াটে খুনি লাগিয়েছিলেন তিনি ৷ পুলিশের অনুমান, ওই পরিচারিকাই সুপ্রতিমের সঙ্গে সুপারি কিলারদের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন ৷

    আরও পড়ুন: মা-ছেলের যোগসাজশেই ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা, সিভিক ভলান্টিয়ার খুনে ধৃত শাশুড়িও

    ওইদিন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য ফোন করে তাঁকে ডেকেছিলেন স্বামী সুপ্রতিম ৷ বাড়িতে মাংস কিনে এনেছেন বলে শম্পাকে তাড়াতাড়ি ফেরার কথা বলেছিলেন তিনি ৷ কিন্তু আসল ঘটনা অন্য ৷ বাড়িতে আগে থেকেই ফিট করা ছিল ভাড়াটে খুনি ৷ শম্পা বাড়ি ঢুকতেই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁরা ৷ শম্পাকে খুন করে, সুপ্রতিমকে চেয়ারে বেঁধে তাঁর শরীরে একাধিক ক্ষত করে দেয় ওই সুপারি কালাররাই ৷ আগে থেকেই স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছিল শম্পার পরিবার ৷ মৃতার দাদা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, সম্পত্তির লোভেই খুন করা হয়েছে তাঁর বোনকে ৷ রাজারহাটে শম্পার যে তিন কাঠা জমি রয়েছে তার উপর লোভ ছিল শম্পার স্বামী ও শাশুড়ির ৷

    আরও পড়ুন: অন্ধ্রপ্রদেশ এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন, দুটি কোচ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত

    শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় কাজ করে বাড়ি ফেরেন শম্পা দাস। সেই সময় তাঁর স্বামী সুপ্রতিম ও শ্বাশুড়ি বাড়িতে ছিলেন। সাড়ে তিন বছরের ছেলে বাইরে ছিল। সাড়ে ন'টা নাগাদ বাড়িতে ঢুকে সিড়িতে রক্ত দেখে কাঁদতে শুরু করে ছেলে। প্রতিবেশীরা গিয়ে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন শম্পা, ঘরে চেয়ারে হাত পা বাঁধা, আহত অবস্থায় রয়েছেন সুপ্রতিম দাস। সে সময় সুপ্রতিম নিজেও জানিয়েছিলেন, দুষ্কৃতিদের বাধা দিতে গিয়েই জখম হয়েছেন তিনি ৷ যদিও প্রাথমিক তদন্তের পর থেকেই পুলিশের অনুমান ছিল, স্ত্রীকে খুন করে দুষ্কৃতী হামলা ও লুঠের অভিনয় করছেন শম্পার স্বামী সুপ্রতিম। দেহের আঘাতও নিজেই করেছেন তিনি অথবা ঘটনা সাজানোর অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছেন ৷ সুপ্রতিমকে জেরা করতে গিয়ে পুলিশের সন্দেহ আরও গাঢ় হয় ৷ তাঁর বয়ানে প্রথম থেকেই প্রচুর অসঙ্গতি ধরা পড়ে ৷

    First published:

    Tags: Civic volunteer murder case, Kaikhali, Koikhali

    পরবর্তী খবর