কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাউকে দিলেন ফেলে যাওয়া অ্যাডমিট, কাউকে পৌঁছে দিলেন সঠিক কেন্দ্রে, পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসা পুলিশকর্মীদের পুরস্কৃত করবে লালবাজার

কাউকে দিলেন ফেলে যাওয়া অ্যাডমিট, কাউকে পৌঁছে দিলেন সঠিক কেন্দ্রে, পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসা পুলিশকর্মীদের পুরস্কৃত করবে লালবাজার

ছবি- সার্জেন্ট চৈতন্য মল্লিকের মানবিক উদ্যোগে পরীক্ষা দিতে পেরেছে এক ছাত্রী

  • Share this:

#কলকাতা: টালা ব্রিজ ভাঙার জেরে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য বাড়তি সতর্ক ছিল কলকাতা পুলিশ। সর্বত্র সব স্তরের পুলিশকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সবরকমভাবে সাহায্য করার জন্য। পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে যানজটে আটকে পড়লে তাকে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। তাই যে পুলিশকর্মীরা পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করেছেন তাদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে লালবাজার।

মাধ্যমিকের প্রথম দিন থেকে প্রত্যেক পরীক্ষার দিনই সিঁথি থানার পুলিশ এক পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কারণ, পরীক্ষার্থীর বাবা মেয়ের পড়াশোনার বিরোধী ছিল। অ্যাডমিট কার্ড ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ওই ছাত্রী পরীক্ষা দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশের সাহায্য চাইলে এগিয়ে আসে সিঁথি থানা। অটো ভাড়া করে একজন মহিলা কনস্টেবল নিয়মিত ওই ছাত্রীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন। ওইদিনই বেলেঘাটা ও ঠাকুরপুকুর এলাকায় বাড়িতে অ্যাডমিট কার্ড ফেলে আসে দুই পরীক্ষার্থী। তখন পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। পরীক্ষার্থীকে নিয়ে অ্যাডমিট কার্ড এনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।

সোমবারও বিবেকানন্দ রোডে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া পরীক্ষা দিতে আসে সুমন কুররে নামে এক পরীক্ষার্থী। তাকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি। অসহায় সেই পরীক্ষার্থীকে নিয়ে পরীক্ষকের কাছে যান উল্টোডাঙ্গা ট্রাফিক গার্ডের সার্জেন্ট চৈতন্য মল্লিক। ছাত্রীটি নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষায় যাতে বসতে পারে তা নিশ্চিত করার পর তার বাড়ি থেকে অ্যাডমিট কার্ড এনে দেন সেই সার্জেন্ট।

কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (ট্র্যাফিক) সন্তোষ পাণ্ডে বলেন, "শুধু পরীক্ষার্থী নয়, যে পুলিশকর্মীরা ভালো কাজ করবেন তাদের প্রত্যেককে পুরস্কৃত করা হবে। সাম্মানিক অর্থের পাশাপাশি তাদের সার্ভিস বুকেও লেখা থাকবে এই ভালো কাজ।" কলকাতা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, "এরকম ভালো কাজ শুধু পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে না, মানুষের ভরসা বাড়ায়, জনসংযোগ বাড়ে। এটাও এখন পুলিশিংয়ের অংশ।"

SUJOY PAL

Published by: Elina Datta
First published: February 25, 2020, 5:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर