হুহু করে বাড়ছে আলুর দাম ! প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আলুর বন্ড না ছাড়লে, দাম কমবে না !

সমাজের কিছু আর্থিক প্রভাবশালী মানুষ রয়েছে,যারা আলুর বন্ড কিনে ,আটকে রেখেছে। তারা ওই বন্ড ছাড়ছে না। যার ফলে হিম ঘরে আলু আটকে রয়েছে। স্বাভাবিক কারণে আলুর দাম বেড়ে রয়েছে।

সমাজের কিছু আর্থিক প্রভাবশালী মানুষ রয়েছে,যারা আলুর বন্ড কিনে ,আটকে রেখেছে। তারা ওই বন্ড ছাড়ছে না। যার ফলে হিম ঘরে আলু আটকে রয়েছে। স্বাভাবিক কারণে আলুর দাম বেড়ে রয়েছে।

  • Share this:

 #কলকাতা:বাজারে আলুর দাম কমার সম্ভাবনা নেই।জ্যোতি আলু ১৮৫০ টাকা বস্তা পাইকারি দর,পোখরাজ ১৭৭০ টাকা, চন্দ্রমুখী আলু ১৯৫০ টাকা, হিসাবে প্রতি বস্তা পাইকারি দরে (৫০ কেজি) বিক্রি হচ্ছে। খুচরো বিক্রেতারা আলু বিক্রি করে তেমন লাভবান হচ্ছে না। কারণ দাম বেশি হওয়ার জন্য আর্থিক লগ্নি বেড়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের।সেই তুলনায় লাভ কম।এছাড়া বস্তাতে কাটা আলু ও নষ্ট আলু থাকছেই।

আলুর এত দামের কারণ হিসাবে, পোস্তা বাজারের পাইকারি বিক্রেতা সুরজ প্রসাদ বলেন,আলু চাষের জন্য রাজ্যের বাইরের বীজ আলু প্রতি বছর আসত। এ বছর সেই বীজ আলুর দাম ৮৫০০ - ১০০০০ টাকা কুইন্টাল। যার কেজি প্রতি দাম পড়ছে ৮৫-১০০ টাকা। বীজ আলুর দাম এত বেশি হওয়ার জন্য, চাষীরা তাদের নিজের গচ্ছিত আলু - বীজ আলু হিসাবে ব্যবহার করছে।তাই বাজারে আলু অভাব পড়ার এর একটি কারণ। নতুন আলু না ওঠার ফলে, বাজারে আলুর অভাব রয়েছে।

হাতিবাগান বাজারে এক ক্রেতা বলেন ,' আলু কোথাও আটকে আছে কিনা দেখতে হবে '।গতকাল চিংড়ি হাটা মাছ বাজারে চা - চক্রে এসে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দীলিপ ঘোষ অভিযোগ করেন,' যে আলু চাষীরা বিক্রি করেছেন ৫ টাকা কেজি দরে,সেই আলু চাষীরা আবার কিনছে ৪০ টাকা কেজি দরে'।তিনি এও বলেন ' দিদির ভাইয়েরা আলুর বন্ড কিনে গুছিয়ে রেখেছে।তারা না ছাড়ার ফলে আলুর দাম বৃদ্ধি হচ্ছে '।

তবে সিঙ্গুর,তারকেশ্বর,আরাম বাগ ইত্যাদি বিস্তীর্ণ এলাকাতে ঘুরলে পরিস্কার ভাবে জানা যায়, - সমাজের কিছু আর্থিক প্রভাবশালী মানুষ রয়েছে,যারা আলুর বন্ড কিনে ,আটকে রেখেছে।তারা ওই বন্ড ছাড়ছে না।যার ফলে হিম ঘরে আলু আটকে রয়েছে।স্বাভাবিক কারণে আলুর দাম বেড়ে রয়েছে।

এই বিষয়ে টাস্ক ফোর্সের বক্তব্য,- কেন্দ্র অত্যাবশকীয় পণ্য আইন থেকে,আলু, পেয়াঁজ এর মত দ্রব্য বাদ দিয়েছে।যায় ফলে মজুতের ঊর্ধ্ব সীমা সম্পর্কে কোনো বিধি নিষেধ নেই।রাজ্য সরকার তাই কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

টাস্ক ফোর্সের সদস্য, - রবীন্দ্রনাথ কোলের কথায়, -  ' আলু প্রতিদিন ভিন রাজ্যে রপ্তানি হচ্ছে।উত্তর প্রদেশ,দিল্লিতে আলু ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে বেশ কিছু আলু ব্যবসায়ীরা ভিন রাজ্যে বেশি দামে আলু বিক্রি করে দিচ্ছে।

  তবে পেঁয়াজের দাম আগের থেকে কিছুটা কমলেও, আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ভিন রাজ্য থেকে পেঁয়াজের গাড়ি কম আসছে।এখন শুধু মহারাষ্ট্র থেকে পেঁয়াজ আসছে। গতকাল ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকা প্রতি বস্তা ( ৪০ কেজি ) পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হয়েছে।যতদিন পর্যন্ত এ রাজ্য ও ভিন রাজ্যের নতুনপেঁয়াজ না উঠবে। ততদিন পেঁয়াজর দাম বেশি থাকবে।

SHANKU SANTRA 

Published by:Piya Banerjee
First published: