• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • STATE HEALTH DEPARTMENT IS TAKING CHARGE OF KOLKATA POLICE HOSPITAL PBD

Kolkata Police Hospital: কলকাতা পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্ব নিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর

ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে স্বাস্থ্য দফতর পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্ব নিয়ে তা হস্তান্তর করা হবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে।

ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে স্বাস্থ্য দফতর পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্ব নিয়ে তা হস্তান্তর করা হবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে।

  • Share this:

    #কলকাতা: এবার কলকাতা পুলিশ হাসপাতাল (Kolkata Police Hospital ) হাতে নিতে চলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এসএসকেএমের তত্ত্বাবধানে অ্যানেক্স হাসপাতাল হিসেবে পরিষেবা দিতে তৈরি হচ্ছে কলকাতা পুলিস হাসপাতাল। লালবাজার সূত্রে খবর, অগাস্টের শেষ থেকেই মিলতে পারে পরিষেবা। চলতি বছরের এপ্রিল মে মাস কলকাতা পুলিস হাসপাতালের দায়িত্ব নিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে শহর কলকাতাতেও করোনা আক্রান্ত রোগীর বেড নিয়ে হাহাকার। সেই সময় কলকাতা পুলিশ হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের দায়িত্ব দেওয়া হয় শহরের বেসরকারি হাসপাতাল মেডিকাকে।

    মে মাসের ২৪ তারিখ থেকে কলকাতা পুলিশ হাসপাতালে পরিষেবা দিতে শুরু করে মেডিকা। পরিকাঠামো উন্নয়ন করে অত্যাধুনিক মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট নিয়ে শুরু হয় পরিষেবা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালের মাধ্যমে পরিষেবার শুভ সূচনা করেন। তারপর থেকে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত পুলিশ হাসপাতালে তাদের পরিষেবা দিয়েছে মেডিকা কর্তৃপক্ষ। তবে এবার এই পুলিস হাসপাতালের দায়িত্ব নিতে চলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। লালবাজার সূত্রের খবর, মেডিকা কর্তৃপক্ষ পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্ব ছাড়ছে চলতি সপ্তাহেই। ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে স্বাস্থ্য দফতর পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্ব নিয়ে তা হস্তান্তর করা হবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে। চলতি সপ্তাহে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ।

    এসএসকেএম সূত্রে খবর, আলোচনা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ হাসপাতাল তাদের হাতে হস্তান্তর হলে সেটি অ্যানেক্স হাসপাতাল করা হবে। সেখানে পুলিশ কর্মীদের যেমন চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে, তেমন সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে। লালবাজার সূত্রে খবর, এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ পুলিশ হাসপাতালে পরিষেবা দিলেও তাতে পুলিস কর্মীদের জন্য ২৫-৩০ শতাংশ বেড সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ২৫০ থেকে ৩০০ বেড থাকবে সাধারণ মানুষের জন্য। আরও খবর, অগাস্টের শেষ সপ্তাহের মধ্যে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। এবং পরিষেবা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে মেডিকার দায়িত্ব মিটতেই তারা নিজেদের মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট, বেড সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে।

    Amit Sarkar

    Published by:Pooja Basu
    First published: