RG Kar: অবশেষে আত্মসমর্পন আখতারের! ‘ইনোসেন্টলি কিছু ভুল করেছিলাম’, কেন হাজিরা দেননি কাল? জানালেন আরজি করের ‘হুইসেলব্লোয়ার’
- Published by:Ankita Tripathi
- news18 bangla
Last Updated:
RG Kar: আদালত থেকে বেরিয়ে আখতার জানান, ‘‘আমি ইনোসেন্টলি কিছু ভুল করেছিলাম’’৷ অন্যদিকে সোমবার কেন হাজিরা দেননি? কারণ জানালেন আখতার আলি৷
কলকাতা: সোমবার বাড়ি গিয়েও তাঁর খোঁজ পায়নি সিবিআই আধিকারিকরা৷ মঙ্গলবার আদালতে গিয়ে নিজেই আত্মসমর্পণ করলেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি৷ আদালত থেকে বেরিয়ে আখতার জানান, ‘‘আমি ইনোসেন্টলি কিছু ভুল করেছিলাম’’৷ অন্যদিকে সোমবার কেন হাজিরা দেননি? কারণ জানালেন আখতার আলি৷
আরজি কর কাণ্ডের দুর্নীতি নিয়ে প্রথম মুখ খুলেছিলেন তিনিই৷ আখতার আলির মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘আদালতের নির্দেশ অমান্য করেছেন। জুডিশিয়াল কাস্টটির আবেদন করছি’’৷
যদিও সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘আমার মক্কেল একা নন, ইনিও অভিযুক্ত। ২০২১ এর আগে থেকে উনি আরজি করেছিলেন। উনি হুইসেল ব্লোয়ার পরে দাবী করেছে সিবিআই। প্রথমে দু’জনকেই অভিযুক্ত করেছেন’’৷ এতে চার্জশিটে কি উল্লেখ রয়েছে দেখতে চাইলেন বিচারক৷
advertisement
advertisement
আরও পড়ুন: সোমে ছিলেন অধরা, মঙ্গলে নিজেই আদালতে! আরজি কর মামলায় ‘আত্মসমর্পণ করতে চান’ ডেপুটি সুপার আখতার আলি
সঞ্জয় দাশগুপ্ত: কোর্টের অর্ডার ভায়োলেন্ট করেছেন। এর সঙ্গে আমার কোনও বিদ্বেষ নেই। রেসপেক্ট টু কোর্ট মাস্ট বি মেইনটেইন।
সিবিআইয়ের আইনজীবী: ইনি আগে কোর্টের নির্দেশ মানেননি।
বিচারক: উনি মেডিকেল গ্রাউন্ডে চাইছেন।
advertisement
সঞ্জয় দাশগুপ্ত: ছয় তারিখে কোর্ট তারিখ। ছয়ে ভর্তি ।
আখতারের আইনজীবী: পুরোনো মেডিকেল ডকুমেন্ট এনেছি।
বিচারক: একেকটা রিপোর্ট একেকরকম।
আখতারের আইনজীবী: ১৬/১২ তে
১৫/১২ তে এন্টিসিপেটরি বেইল হাইকোর্টে। ১৬ তারিখ প্রথম ট্রায়াল
সঞ্জয় দাশগুপ্ত: চার তারিখের পর এলেন না কেন?
বিচারক: ২৪ সালে অসুস্থ ছিলেন! আর ২৫ সালে ১৬/১২ ভর্তি আর ১৭/১২ তে ডিসচার্জ। একদিন ভর্তি৷ ২৩/১২ তে শমন যায়।
advertisement
শুনানি শেষ হলে আখতার আলী বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘কোর্টের অর্ডারের জন্য ওয়েট করছি। আবেদন করেছি জামিনের জন্য। আমি অসুস্থ ছিলাম। কাগজ দিয়েছি। আদালতের রায় যা হবে মানতে হবে তদন্ত চলছে। কালকে খুব বেশি ব্যথা হচ্ছিল তাই উঠতে পারছিলাম না।’’
advertisement
আখতার আলি আরও জানান, ‘‘আমি ইনোসেন্টলি কিছু ভুল করেছিলাম। দাদার চিকিৎসার জন্য ধার নিয়েছিলাম। আমি কোন দোষ করিনি। ব্যাড লাক, কপাল! মানুষ কীভাবে ভিক্টিমাইজ হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি। আমার আইনজীবী আবেদন করেছে।’’
সন্দীপ ঘোষের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘আজকে সিবিআই সেকেন্ড কোর্টের বিচারক আসতে পারেননি। তাই ফাস্ট কোর্ট মামলাটা টেকআপ করেছেন। উনারা মেডিকেল গ্রাউন্ডের আসতে পারেননি তাই জামিনের আবেদন করেছেন। সিবিআই এর সম্পূর্ণ বিরোধীতা করেছে। এটা আদালত কে অবমাননার সামিল বলে উল্লেখ করেছে। আদালতের নির্দেশ মানেনি বলে জামি নযোগ্য ওয়ারেন্ট হয়েছে। সিবিআই আইনজীবী দুর্নীতির কথাও তুলে ধরেছেন। আমরাও বলেছি, সিবিআই যে দুর্নীতি দেখিয়েছে তা সীমাবদ্ধতার মধ্যে দেখিয়েছে। আসলে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। ভাই দেড় বছর ধরে সন্দীপ ঘোষ অন্যান্য পাঁচজন জেলে আছেন। আর এনার জন্য বিলম্বিত হচ্ছে মামলা। একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ইনি কি করে জামিন পান। বিচারক শুনেছেন এখন অর্ডার রিজার্ভ আছে।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 10, 2026 2:27 PM IST








