রেশন তুলতে গেলে এ বার লাগবে আঙুলের ছাপ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

রেশন তুলতে গেলে এ বার লাগবে আঙুলের ছাপ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
রেশন ডিলার

রেশন দোকানে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে মাঝেমধ্যেই। কোনও কোনও সপ্তাহে চাল চিনি না দেওয়া, পরিমাণে কম দেওয়া বা রেশনের সামগ্রী বাইরে পাচার করার অভিযোগ ওঠে। এবার নতুন ব্যবস্থায় এসব দুর্নীতি ঠেকানো যাবে বলে আশাবাদী খাদ্য দফতর।

  • Share this:

Saradindu Ghosh 

#কলকাতা: এবার রেশন তুলতে গেলে মেশিনে আঙুলের ছাপ দিতে হবে। তাতেই অনলাইনে সার্ভারের মাধ্যমে কোন রেশন দোকানে কতজন রেশন নিলেন, তা জেনে যাবে খাদ্য দফতর। এর জন্য ডিজিটাল রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত করতে হবে গ্রাহকদের।

এর ফলে রেশন ডিলারের ঘরে চাল,চিনি, কেরোসিন কতটা পড়ে রয়েছে, তা রাজ্য খাদ্য দফতর জানতে পারবে কমপিউটার মাউসের এক ক্লিকেই। পরের মাসে সেই পরিমাণ সামগ্রী কম পাঠানো হবে। গণবন্টন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়াতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

রেশন দোকানে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে মাঝেমধ্যেই। কোনও কোনও সপ্তাহে চাল চিনি না দেওয়া, পরিমাণে কম দেওয়া বা রেশনের সামগ্রী বাইরে পাচার করার অভিযোগ ওঠে। এবার নতুন ব্যবস্থায় এসব দুর্নীতি ঠেকানো যাবে বলে আশাবাদী খাদ্য দফতর।

এর জন্য ডিজিটাল রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত করতে হবে। প্রতিটি রেশন দোকানে ইলেকট্রনিক প্রসেসিং সিস্টেম (ইপস) মেশিন বসানো হচ্ছে। সেই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই ২০ হাজার ইপস মেশিন রেশন দোকানে বসিয়ে ফেলেছে রাজ্য সরকার। তাতে দু কোটি গ্রাহককে যুক্ত করা হয়েছে। জানুয়ারি মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করার লক্ষমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

এজন্য প্রথমে গ্রাহককে বাড়ির সদস্যদের নিয়ে রেশন দোকানে যেতে হবে। সেখানে ডিজিটাল রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ দিতে হবে মেশিনে। সেই তথ্য মজুত থাকবে খাদ্য দফতরের সার্ভারে। এরপর প্রতি বার রেশন তোলার পর আঙুলের ছাপ দিতে হবে মেশিনে। তাতেই ধরা যাবে কত জন রেশন নিলেন। অনুপস্থিত থাকলেন কতজন। জানা যাবে মাসের শেষে কোন রেশন ডিলারের ঘরে চাল চিনি কেরোসিন সহ কত সামগ্রী মজুত রয়েছে। পরের মাসে সেই পরিমান সামগ্রী পাঠানো হবে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, 'এর ফলে সম্মানের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন রেশন ডিলাররা।' প্রয়োজনে তাঁদের কমিশন বাড়িয়ে দেওয়া হবে। খাদ্যমন্ত্রী জানান, অনলাইনে ডিজিটাল রেশন কার্ডের আবেদন সারা বছরই করা যাবে। সবাইকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্য দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে রাজ্য সরকার। একটি শিশু জন্ম নিলেই একটি রেশন কার্ড ইস্যু করবে সরকার। ঠিক তেমনই একজন মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেই রেশন কার্ড বাতিল করবে সরকার। নতুন পদ্ধতিতে সেকাজ আরও সহজ হবে।

First published: 01:33:32 PM Dec 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर