corona virus btn
corona virus btn
Loading

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মিড ডে মিল, দরিদ্র পড়ুয়াদের ভাতা, ড্রপ আউট ঠেকাতে একাধিক দাবি এসএফআইয়ের

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মিড ডে মিল, দরিদ্র পড়ুয়াদের ভাতা, ড্রপ আউট ঠেকাতে একাধিক দাবি এসএফআইয়ের
ফাইল ছবি

কদিকে লকডাউন, অন্যদিকে আমফান । এই জোড়া ধাক্কায় জেরবার দরিদ্র ছাত্রছাত্রীরা । এক্ষেত্রে ড্রপ আউটের সম্ভাবনাও বেশি থাকে । তাই তাদের জন্য দাবি জানাল এসএফআই ।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউন শেষ হয়ে এখন শুরু হয়েছে আনলক পর্ব । স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে৷ চলছে পরীক্ষার প্রস্তুতিও  । এমন অবস্থায় বেশকিছু দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার অনলাইনে সাংবাদিক বৈঠক করল এসএফআই । এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি, দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের ভাতা দিতে হবে সরকারকে ।

সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, "একদিকে লকডাউন, অন্যদিকে আমফান । এই জোড়া ধাক্কায় জেরবার ছাত্রছাত্রীরা । বিশেষ করে দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা আরও বেশি । তাই এক্ষেত্রে ড্রপ আউটের সম্ভাবনাও বেশি থাকে । এই সময়ে সতর্ক থাকতে হবে । ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়াতে হবে সাহায্যের হাত নিয়ে । তাই ভাতা দিতে হবে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের । শুধু এরাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের নয় । অন্য রাজ্যে গবেষণার কাজে গিয়ে আটকে পড়া ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই সুযোগ দিতে হবে । মনে রাখতে হবে, লকডাউনের ফলে পঁচিশ কোটি ছাত্র গৃহবন্দি , পড়ুয়াদের ৭৫-৮০ শতাংশ আসে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশ থেকে । এই অংশের দিকে তাকিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় অবিলম্বে পরিবর্তন প্রয়োজন ।"

ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনের তরফে আরও বেশকিছু দাবি জানানো হয়েছে । যেমন তিনমাসের জন্য বিদ্যুৎ বিল মুকুব করা । ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত মাসে দু'বার মিড ডে মিলের ব্যবস্থা । ফি বৃদ্ধি না করা । এবং সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য অনলাইন লেখাপড়ার সুযোগ করে দেওয়া । সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, "সকল ছাত্রছাত্রীর জন্য অনলাইনে লেখাপড়ার সমান সুযোগ ও পরিকাঠামো প্রস্তুত না করে অনলাইন শিক্ষা, পরীক্ষা ও মূল্যায়নকে বাধ্যতামূলক করা যাবে না ।"

সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকের বক্তব্য, "শহরে মাত্র ২৩.৪% মানুষ ও গ্রামে মাত্র ৪.৪% মানুষের কাছে কম্পিউটার আছে । ইন্টারনেটের সুবিধা পান এমন জনগণ ভারতবর্ষে মাত্র ২৩.৮% যার শহরে ৪২%, গ্রামে ১৪.৯% । ইন্টারনেট ব্যবহার করার দক্ষতা অর্জন করেছেন জনসংখ্যার মাত্র ২০.১% মানুষ যার মধ্যে পুরুষ ২৫%, মহিলা ১৪.৯% । আরও ভেঙে যদি দেখা যায়, তবে গ্রামীণ জনগণের মাত্র ১৩% ও শহুরে জনগণের মাত্র ৩৭% ইন্টারনেট ব্যবহার করতে শিখেছেন । প্রযুক্তির সাথে আমাদের বিরোধ নেই - কিন্তু সকলের জন্য সরকারকে ফ্রি ইন্টারনেটের বন্দোবস্ত না করে, পরিকাঠামো না বানিয়ে অনলাইনকে বাধ্যতামূলক করা যাবে না ।"

UJJAL ROY

Published by: Shubhagata Dey
First published: June 5, 2020, 9:42 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर