corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতায় বিপদজনক পাতকুয়োর সংখ্যা কত জানতে সমীক্ষা পুলিশের

কলকাতায় বিপদজনক পাতকুয়োর সংখ্যা কত জানতে সমীক্ষা পুলিশের
খোলা অবস্থায় রয়েছে পাতকুয়ো

কলকাতার কোথায় কোথায় কতগুলি পাতকুয়ো আছে জানতে সমীক্ষা শুরু করল পুলিশ

  • Share this:

SUJOY PAL #কলকাতা: বাঁশদ্রোনিতে পাতকুয়োয় পড়ে সম্রাট সরকারের (২৯) মৃত্যুর ঘটনার পর অবশেষে টনক নড়ল পুলিশের। কলকাতার কোথায় কোথায় কতগুলি পাতকুয়ো আছে জানতে সমীক্ষা শুরু করল কলকাতা পুলিশ। কলকাতার কোন কোন এলাকায় পাতকুয়ো রয়েছে, তার মধ্যে বিপদজনকভাবে কুয়ো কোথাও রয়েছে কিনা জানতে এই উদ্যোগ। বাঁশদ্রোনির ঘটনার পর এই সমীক্ষা শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন ডিসি (সাউথ সাবার্বান ডিভিশন) সুদীপ সরকার। দ্রুত সেই সমীক্ষা শেষ করে তাঁকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সুদীপ বলেন, "এই এলাকায় মূলত রিজেন্ট পার্ক, বাঁশদ্রোনি, নেতাজিনগর থানা এলাকায় বেশ কিছু বাড়িতে পাতকুয়ো রয়েছে। সেই কুয়োর সংখ্যা কতগুলি, কি অবস্থায় সেগুলি রয়েছে সেই বিষয়ে খোঁজ নিতে সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

সূত্রের খবর, কতগুলি পাতকুয়ো রয়েছে সেটা জানা ছাড়াও এর মধ্যে বিপদজনকভাবে কতগুলি রয়েছে, খোলা অবস্থায় কতগুলি রয়েছে, নিয়মিত ব্যবহার হয় কিনা, তার গভীরতা কত সেই বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার সংযোজিত এলাকায় অর্থাৎ বাঁশদ্রোনি, রিজেন্ট পার্ক, নেতাজিনগর এলাকার কিছু অংশে এখনও জলের সমস্যা রয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাই কলকাতা পুরসভা আইনে পাতকুয়ো ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও তাঁরা কার্যত নিরুপায় হয়েই ব্যবহার করেন। তাই এই সমীক্ষা শেষ হলে পুলিশের তরফে এই রিপোর্ট জমা পড়বে পুরসভার কাছেও। যাতে তারা ওই এলাকার জলের সমস্যা মেটানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হয়। ডিসি বলেন, "রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বিপদজনক পাতকুয়োগুলিকে চিহ্নিত করে যারা ব্যবহার করেন তাদের বলা হবে কুয়োর পাঁচিলের উচ্চতা বাড়াতে। কিংবা খোলা অবস্থায় কুয়ো থাকলে তাতে ঢাকনা দিতেও বলা হবে।" বছর কয়েক আগে হাওড়াতে এক কিশোর পাতকুয়োয় পড়ে যাওয়ার পর কলকাতাতে পাতকুয়োর ব্যাপারে খোঁজ খবর করা শুরু হয়। কিন্তু সেই কাজ বেশিদূর এগোয়নি। এবার পুলিশের উদ্যোগে কুয়োর সমীক্ষা কতদূর এগবে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, বাড়িতে পাতকুয়ো থাকলে তার রক্ষনাবেক্ষণ ঠিক মতো না হলে মশার সমস্যা যেমন বাড়তে পারে তেমনই কুয়োর জলে থাকা ব্যাকটেরিয়া থেকে নানা পেটের সমস্যাও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই না পারতে কুয়োর জল ব্যবহার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

Published by: Ananya Chakraborty
First published: January 5, 2020, 5:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर