যাত্রা শুরুর পর প্রথম সপ্তাহে বন্দে ভারত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া যাত্রীদের।
#কলকাতা: যাত্রা শুরুর ছ'দিন পার। এর মধ্যে আবার দু' বার পাথর ছোড়ার ঘটনা। একবার খাবার নিয়ে সমস্যা। একবার আবার দেরিতে চলল সেমি হাইস্পিড বন্দেভারত এক্সপ্রেস। গত কয়েকদিনে বন্দেভারত নিয়ে তাই রেলের খাতায় যাত্রীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়াই উঠে এসেছে।
প্রথমত, এত অভিজাত ট্রেন হওয়া সত্ত্বেও ট্রেনে ওঠার সময় গেটে কোনও সিকিউরিটি বা গার্ড চোখে পড়েনি যাঁকে টিকিট দেখিয়ে ট্রেনের ভিতরে প্রবেশ করা যাবে।
advertisement
ট্রেনে আলাদা প্যান্ট্রি কার নেই। খাবারের মেনু কার্ডও দেওয়া হয়নি। খাবার পরিবেশন করার সময়ও নিরামিষ নাকি আমিষ, তা উল্লেখ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
advertisement
সেমি হাই-স্পিড ট্রেন হলেও আসনের সঙ্গে কোনও সেফটি বেল্ট, ভোমিটিং ব্যাগ নেই।
মালপত্র রাখার জন্য় মাথার উপরের জায়গায় কোনও কভার নেই বিমানের মতো। যে কোনও সময় ঝাঁকুনিতে ভারী মালপত্র যাত্রীর মাথায় পড়তে পারে।
advertisement
ব্রেকফাস্টে কনফ্লেক্স দেওয়া হয়েছে চিনি ছাড়া তাও আবার শুধুমাত্র এক্সিকিউটিভ ক্লাসে।সোশ্যাল মিডিয়াতে খাবারের যে ছবি প্রথম দিন ভাইরাল হয়েছিল, সেখানে একটা ভালো আকৃতির ফিশ ফ্রাই ছিল। তবে বাস্তবে খাওয়ার সময় যেটা দেওয়া হচ্ছে সেটির মাপ এক ইঞ্চিরও কম বলে অভিযোগ।, আর ফেরার সময় কেউ কেউ ফিশ ফ্রাই পাননি। তার জায়গায় পনির নিতে হয়েছে।
ট্রেন ছাড়ার কিছু ঘণ্টা পর টয়লেটের কমোডে জল উপচে পড়ছিল, সাকশন সিস্টেমে সমস্যা রয়ে গিয়েছে কিছু কিছু শৌচালয়ে।
সম্পূর্ণ যাত্রাপথে ওয়াই-ফাই সিস্টেমে ফোন কানেক্ট হচ্ছিল কিন্তু ইন্টারনেট এক ফোঁটাও চলেনি। বেসিন মুখ ধুতে গেলে বাথরুম প্রবেশ করতেই হবে। বাথরুমের বাইরেও একটি বেসিন থাকা উচিত ছিল বলে মত যাত্রীদের।
advertisement
ঠান্ডার মধ্য়েও খাবার যথেষ্ট পরিমাণ গরম থাকছে না বলে অভিযোগ।
মোবাইল চার্জ দেওয়ার পয়েন্ট আসনের পিছনে না থেকে পায়ের কাছে ছিল যার জন্য হঠাৎ দাঁড়াতে গেলে তারের সঙ্গে পা জড়িয়ে যাচ্ছে অনেক যাত্রীর।
এমনই নানা ফিডব্যাক জমা পড়েছে রেলের খাতায়। রেল অবশ্য জানাচ্ছে, যাত্রীদের সব সমস্যার সমাধান করা হবে।।