কেন্দ্রের নোট বাতিল সিদ্ধান্তকে সাহসী পদক্ষেপ বললেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি

নোট বাতিল ইস্যুতে রাজ্যসরকারের সঙ্গে একমত নন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি ৷

নোট বাতিল ইস্যুতে রাজ্যসরকারের সঙ্গে একমত নন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি ৷

  • Share this:
    প্রধানমন্ত্রীর ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরোনো নোট বাতিলের ঘোষণার পর প্রায় দু’সপ্তাহ কেটে গিয়েছে ৷ কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেশের ‘নোট পরিস্থিতি’ স্বাভাবিক হয়নি ৷ এই নিয়ে এখন সরগরম দেশের রাজনৈতিক মহলও ৷ নোট ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এখন প্রায় একজোট হয়েছে সব বিরোধী দলগুলি ৷ রাজ্যের মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন পথে নেমে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘জনবিরোধী’ বলে সোচ্চার হয়েছেন, তখন এর ঠিক উল্টোপথে হাঁটলেন রাজ্যপাল ৷ তিনি স্পষ্ট জানালেন, কেন্দ্রের নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট সাহসী পদক্ষেপ ৷ এর মাধ্যমেই দেশের কালো টাকা উদ্ধার করা সম্ভব ৷
    রাজ্যপাল এদিন আরও বলেন, কেন্দ্র এই পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। দেশের শিল্পপতিদের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও আরও বেশি করে আসবে বলে ধারণা তাঁর। কেন্দ্রের নোট বাতিল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেশরীনাথ ত্রিপাঠি আরও বলেন, নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকা ভাল। সব পদক্ষেপে পজিটিভ চিন্তাভাবনা করা উচিৎ ।
    রাজ্যপালের সঙ্গে অবশ্য একেবারেই একমত নন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৷ অ্যাসোচ্যামের অনুষ্ঠানে এদিন উপস্থিত ছিলেন তিনিও ৷ শোভনদেববাবু বলেন, ‘‘রাজ্যপালের মতামতকে আমি সমর্থন বা বিরোধীতা কোনওটাই না করে  বলব, প্রধানমন্ত্রীর নোট বাতিলের ঘোষণার পর এতগুলো দিন কেটে গিয়েছে ৷ কিন্তু দেশে পরিস্থিতির এতটুকু উন্নতি হয়নি ৷ বরং সাধারণ মানুষের নোট নিয়ে হয়রানি আরও বেড়েছে ৷ দেশের প্রকৃত নেতা তিনিই যিনি দেশের ভবিষ্যৎ বুঝতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাতে সমস্যায় পড়েছেন দেশের কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ প্রত্যেকেই।”
    এদিকে ৯৭ বছরের পুরোনো চেম্বার অ্যাসোচ্যাম এবার পূর্ব ভারতেও নিজেদের বিস্তার বাড়াচ্ছে ৷ রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি, বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপ্যাধ্যায়, অ্যাসোচ্যামের সভাপতি সুনীল কানোরিয়া এবং অ্যাসোচ্যামের পূর্বাঞ্চলের চেয়ারম্যান সঞ্জয় ঝুনঝুনওয়ালার উপস্থিতিতেই কলকাতার ‘অ্যাসোচ্যাম হাউস’-এর সম্প্রতি শিলান্যাস হল ৷ অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন কাজে বছরের পর বছর সাহায্য করে আসা এই বণিকসভার ভূয়সী প্রশংসাও করেন রাজ্যপাল ৷
    First published: