• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Bridge Over railway In Kolkata: দু'দিনেই সেতু নির্মাণের কাজে ছাড়পত্র দিল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি

Bridge Over railway In Kolkata: দু'দিনেই সেতু নির্মাণের কাজে ছাড়পত্র দিল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

Tala Bridge: এর ফলে চক্র রেলের লাইনের ওপরে আর সেতু তৈরির কাজে কোনও বাধা রইল না

  • Share this:

#কলকাতা: শহর কলকাতার মানুষের জন্যে সুখবর। রেল লাইনের ওপরের অংশে সেতু তৈরির কাজ নিয়ে কাটল জটিলতা। অবশেষে আরওবি তৈরির অনুমতি দিল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ রেলওয়ে সেফটি কমিশনার। গত সপ্তাহেই এই রেল-রোড ওভার ব্রিজ তৈরি করার জন্যে রাজ্য পূর্ত দফতরের তরফ থেকে চূড়ান্ত নকশা পাঠানো হয় পূর্ব রেলের কাছে। যাবতীয় নকশা পরীক্ষা করে পূর্ব রেল তা পাঠিয়ে দেয় রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের কাছে। সেই নকশা গত ৬ ডিসেম্বর খতিয়ে দেখেন রেলওয়ে সেফটি কমিশনার। ঠিক দু'দিনের মাথায় ৮ ডিসেম্বর সেই ছাড়পত্র দিল সিআরএস।

এর ফলে চক্র রেলের লাইনের ওপরে আর সেতু তৈরির কাজে কোনও বাধা রইল না। রাজ্য ও রেল দুই তরফেই জোর কদমে চলছে টালা সেতু নির্মাণের কাজ। রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী মলয় ঘটক কিছুদিন আগেই বিধানসভায় জানিয়েছেন, আগামী মার্চ-এপ্রিল মাসেই খুলে দেওয়া হতে পারে নয়া টালা সেতু। আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে ওই সেতু সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী মলয় ঘটক। বিধানসভায় তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে উদ্বোধন হতে পারে টালা ব্রিজের। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই সেতুর কাজ পুরোপুরি শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন-এলপিজি গ্রাহকদের জন্য সুখবর, জানুন কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন প্রকল্প নিয়ে এক ঝলকে

উত্তর শহরতলির সঙ্গে কলকাতার  যোগাযোগের অন্যতম ভরকেন্দ্র হল টালা ব্রিজ । দীর্ঘ দিনের পুরনো টালা ব্রিজ ভেঙে নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে সেতু। মলয় ঘটক জানিয়েছেন, "আমরা চেষ্টা করছি যাতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে টালা ব্রিজের কাজ শেষ করা যায়। তার পর মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে এই ব্রিজের উদ্বোধন করা হতে পারে।" ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টালা সেতুতে যান চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর কিছু দিনের মধ্যেই টালা সেতু ভাঙার কাজও শুরু হয়ে যায়। উত্তর কলকাতার ওই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জানা গিয়েছিল, তার জীর্ণ অবস্থার কথা। তার পরেই রেলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর সেতুটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন করে সেতু তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প পথেই গাড়ি চলাচল করছে। এর ফলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। সেতু ভেঙে নতুন করে তৈরি করার পরামর্শ আগেই দিয়েছিল বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটস। তাদের মতকে সমর্থন জানিয়ে নবান্নে রিপোর্ট দিয়েছিলেন সেতু বিশেষজ্ঞ ভিকে রায়না। তিনি দেশের অন্যতম সেরা সেতু বিশেষজ্ঞও বটে।

আরও পড়ুন: বাঁকুড়া থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে সায়ন্তিকার গাড়ি ! জখম তৃণমূল নেত্রী

রায়না টালা সেতুর হাল একাধিক বার পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যসচিবের কাছে। সেটা ২০১৯-এর অক্টোবরে। মুখ্যসচিবের কাছে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। এর পরেই টালা ব্রিজ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত মে মাসে রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও পূর্ত দফতরের দায়িত্ব বদল হয়েছে। পূর্তমন্ত্রী তখন ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। নতুন মন্ত্রিসভায় মলয় ঘটক পূর্ত দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। মলয় ঘটক জানিয়েছেন, নয়া টালা ব্রিজ এমন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে প্রায় ১০০ বছর এই সেতু ভার বহন করতে পারে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ক্রমাগত তারা রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। সমস্ত নকশা ও ফাইল দ্রুত দেখে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। রেল লাইনের ওপরের অংশের কাজ নিয়ে আলোচনা চলছে। কাজ হওয়ার সময় রেল চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হবে৷

Abir Ghosal

Published by:Uddalak B
First published: