শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় বিপদের মুখে পর্ষদ, নির্দেশ অমান্য করায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্টের ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় বিপদের মুখে পর্ষদ, নির্দেশ অমান্য করায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্টের ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত
Representative image

২০১৪ সালের টেট মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ মানেনি পর্ষদ। ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। ২০১৪ সালের টেট মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ মানেনি পর্ষদ। ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত। ১৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সচিবকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ। পর্ষদের এসএলপি ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট ৷ একইসঙ্গে আদালত অবমাননার মামলা পর্ষদের বিরুদ্ধে ৷

শূন্যহাতে পর্ষদকে ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট ৷ সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চের মন্তব্য, ৬ প্রশ্নে ভুল মামলায় ১ বছরেও নির্দেশ মানেনি পর্ষদ ৷ হাইকোর্টের নির্দেশ মতো অমান্য করায় এর ফল ভুগতে হবে ৷ প্রাথমিক শিক্ষা সচিবকে ফল ভুগতে হবে ৷’

প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণের শংসাপত্র থাকলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাইশ নম্বর সংযোজন হয়। রাজ্যে টেট শুরু হওয়ার আগে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করত। পিটিটিআই শংসাপত্রের বৈধতা নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ, ডিভিশন বেঞ্চ ও সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে মান্যতা পান মামলাকারীরা। শংসাপত্র মান্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট নম্বর দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। যা এতদিন হচ্ছিল না।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, পিটিটিআই প্রশিক্ষণের সংশ্লিষ্ট নম্বর দিয়ে মামলাকারীদের নিয়োগ সম্পূর্ণ করতে। তিন মাসের মধ্যে তৃণাঙ্কা চক্রবর্তী-সহ রাজ্যের প্রায় দেড় হাজার মামলাকারীকে নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল ও দীপক গুপ্তার বেঞ্চ। সময় পেরোলেও শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগ করেনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

সুপ্রিম নির্দেশ অবমাননার দায়ে, জুলাইয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল শিক্ষা সচিবকে নোটিস দেওয়া হয় ৷ নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করে রিভিউ পিটিশন করে পর্ষদ ৷ ৭ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্ট রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেয় ৷

গত ২৬ অগাস্ট আদালত অবমাননার মামলার শুনানিতে পর্ষদ ও রাজ্যের ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, শেষ সুযোগ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে আরও ১ মাস সময় দেওয়া হচ্ছে ৷ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পিটিটিআই মামলাকারীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করতে পদক্ষেপ করুক পর্ষদ ৷ নির্দেশ অমান্যে প্রয়োজনে রুল জারি হবে প্রাথমিক শিক্ষা সচিব ও স্কুল শিক্ষা সচিবের বিরুদ্ধে ৷

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করলে কী হয়?

ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দেশ অমান্য করলে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে ৷

First published: 01:59:47 PM Sep 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर