Anubrata Mondal: অনুব্রত জেলে যে কারণে, সেই গরু পাচারের আসল রহস্য ফাঁস! আদালতে জানিয়ে দিল ইডি
- Written by:Amit Sarkar
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
Anubrata Mondal: ইডি সূত্রে দাবি, ইলামবাজার, হুগলি সহ একাধিক পশু হাট থেকে গরু সংগ্রহ করা হত।
কলকাতা: সীমান্ত পেরিয়ে সুকৌশলে গরু পাচার হয়েছে বাংলাদেশে। রমরিয়েই চলত এনামূল হক ও তার সহযোগীদের এই পাচার চক্র, ইডির দেওয়া চার্জশিটে দাবি এমনই। শুধু তাই নয়, কী ভাবে মদত নিয়ে রাতের অন্ধকারে গরু সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ পাঠানো হবে, তার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছিলেন এনামূল হক, তারও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে ইডির চার্জশিটে। একইসঙ্গে শুক্ল দফতরের একাংশের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেছে এনফোর্সেমেন্ট ডিরেক্টরেট।
ইডি সূত্রে দাবি, ইলামবাজার, হুগলি সহ একাধিক পশু হাট থেকে গরু সংগ্রহ করা হত। ব্যাক ডেটেড স্লিপ বানিয়ে ট্রাক বোঝাই লরি রওনা দিত মুর্শিদাবাদ। এমনকী রাস্তায় যাতে পুলিশ না ধরে তার জন্য রাখা হত টোকেন। এরপর সেই গরু মুর্শিদাবাদ জেলায় পৌঁছে গেলে চলে যেত এনামূলের ডেরাতে।
advertisement
advertisement
কোথায় রাখা হত গরু? ইডির দাবি, মুর্শিদাবাদ জেলার বাংলাদেশ সীমান্তের ৭-৮ কিলো মিটার দূরে এনামূলের সুরক্ষিত জায়গা ওমরপুরে রাখা হত। যেখানে সোনার বাংলা নামে একটি হোটেল ছিল। একদিকে পশু হাট থেকে গরু আসত সেখানে, অন্য দিকে শুল্ক দফতরের ধরা গরু কম দামে কিনে নেওয়া হত পাচারের উদ্দেশ্যে।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকায় দুর্নীতি, হাই কোর্টের বিরাট নির্দেশ! আরও এক ‘বিপর্যয়ের’ ইঙ্গিত
advertisement
এনামূলের সুরক্ষিত স্থানে গরু পৌঁছে গেলে পরবর্তী পাচার কাজেও সাহায্য মিলত। নিমতিতা, খাণ্ডুয়া এবং গিরিয়া বিওপি দিয়ে নির্দিষ্ট দিনে স্থানীয় রাখালের সহযোগিতায় পাচার করা হত গরু, এমনই উল্লেখ চার্জশিটে। ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে রাত ১১ টা থেকে তিনটের মধ্যে চলত পাচার। দাবি ইডির।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
May 05, 2023 5:23 PM IST








