• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • A BANGLADESHI IS DETAINED BY STATE POLICE AND POLICE ASSUMES HE HAS CONNECTION WITH ANY TERRORIST GROUP SWD

ধৃত বাংলাদেশির থেকে উদ্ধার সিমবক্স, পাকিস্তান, কাতার থেকে আসত ফোন! জঙ্গি যোগ খুঁজছে গোয়েন্দা

মামুনকে  জেরা করে আলিপুরদুয়ারে গোপন ডেরার হদিস পেলো রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।  উদ্ধার প্রচুর সিমবক্স ও ইলেকট্রনিকস ডিভাইস।

মামুনকে  জেরা করে আলিপুরদুয়ারে গোপন ডেরার হদিস পেলো রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।  উদ্ধার প্রচুর সিমবক্স ও ইলেকট্রনিকস ডিভাইস।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে ধৃত বাংলাদেশি মামুনকে জেরা করবে আইবি-সহ সেন্ট্রাল ও স্টেট এজেন্সি। মামুনের একাধিক গোপন ডেরার খোঁজ পেয়েছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। মামুনের সঙ্গে জঙ্গি যোগ লিঙ্ক থাকতে পারে তাই সেন্ট্রাল ও স্টেট আইবি- সহ অন্য এজেন্সি আধিকারিকরা যোগাযোগ করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর সঙ্গে। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মামুনের কাছে সিমবক্স প্রযুক্তি মাধ্যমে কাতার, ইরাক, ইরান, পাকিস্তান ইত্যাদি জায়গা থেকে কল আসতো। জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ আছে কিনা জেরা করছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।

কে এই মামুন? রাজ্য পুলিশের এসটিএফের জালে ধরা পড়েছে এক বাংলাদেশি-সহ তিন জন। উদ্ধার হয়েছে সাইবার অপরাধের ও জঙ্গিদের কথোপকথনের সিমবক্স। এছাড়া উদ্ধার হয়েছে সিম, রাউটার, ল্যাপটপ সহ একাধিক ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সূত্রে খবর, এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশি সহ মোট তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয় .২৩ সিমবক্স। সিমবক্স এর মাধ্যমে বিদেশ যেমন ইরাক, ইরান, কাতার, পাকিস্তান, দুবাই থেকে আন্তর্জাতিক যে কল আসতো সেগুলি কনভার্ট করে সাধারণ কল বা ভারতীয় কলে পরিণত করে এরা অপরাধের বড়সড় চক্র চালাত।

রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এর গোয়েন্দাদের দাবি, এই সিমবক্স দ্বারা বিভিন্ন জঙ্গি গ্রুপে সিমবক্সের মাধ্যমে কথা হতো কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বুধবার রাতে গ্রেফতার করা হয় মামুন নামে ওই মূল চক্রীকে। বাংলাদেশি ওই ধৃত ব্যক্তি এই চক্রের মূল মাথা। তার দুই সাগরেদ নদিয়ার ইরশাদ ও শিলিগুড়ির রণজিৎকেও গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। বুধবার রাতে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ শিলিগুড়ি, কলকাতা, তালতলা, জলপাইগুড়ি, বিধাননগর সহ সাতটি বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযান করে ২৩টি সিম বক্স উদ্ধার করে। ওই সিমবক্সে ২৫৬ টি সিম স্লট ক্যাপাসিটি রয়েছে। উদ্ধার ১৭টি রাউটার, ৪০০ প্রি অ্য়াক্টিভেটেড সিম, ল্যাপটপ, ডেটা কেবল সহ একাধিক ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।

আরও পড়ুন: ভোট হিংসা তদন্তে সিবিআই, পাল্টা দানে সুপ্রিম দ্বারে রাজ্য

রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এর হাতে ধৃত এই মামুন বাংলাদেশি চক্রের মূল মাথা। সে এই কলগুলো বিদেশ থেকে আসলে সেগুলোকে কনভার্ট করে নরমাল কলে পরিণত করতো সিমবক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে। তার দুই সাগরেদ নদিয়ার ইরশাদ ও শিলিগুড়ি রণজিৎ এরা তাদের জোন ওয়াইস নিজের এলাকা অনুযায়ী কাজ করত। সিমবক্স সাধারণত জঙ্গি সংগঠনের লোকেরা ব্যবহার করে, যাতে তাদের হদিস না পাওয়া যায়। সেকারণে এই বাংলাদেশি মামুনের সঙ্গে এরকম কোনও যোগ আছে কিনা সে বিষয়ে জেরা করছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। আগামীকাল সেন্ট্রাল এজেন্সি এসে জেরা করবে মামুনকে।

আরও পড়ুন: রাজ্যজুড়ে ৩৪টি FIR! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় প্রথম চার্জশিট দিল CBI

মামুনকে জেরা করে নয়া ডেরার হদিস পেয়েছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। বৃহস্পতিবার বিকেলে মামুনকে জেরা করে আলিপুরদুয়ারে ভুটান বর্ডারে ড্রাগন ও জায়গন এলাকায় নয়া ঠিকানা পান গোয়েন্দারা। সেখানে এসটিএফ গোয়েন্দারা অভিযান চালান। উদ্ধার হয় আরও তিনটি সিমবক্স ও আরও ২০০ সিম কার্ড। এসটিএফ সূত্রে খবর, মামুন আলিপুরদুয়ারে পাঁচ তলা বাড়িতে কয়েকটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে ছিল। ওখানে এক যুবককে দিয়ে অপারেশন চালানো হতো। ওখানে সিম বক্স দিয়ে এসব বেআইনি কথোপকথন হতো।

জঙ্গি গোষ্ঠীর কারও সঙ্গে কথা হতো কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামুনের সঙ্গে জঙ্গি যোগ থাকতে পারে, সেকারণে আইবি-সহ অন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের এজেন্সী এসে জেরা করতে চায় বলেই এসটিএফ সূত্রে খবর। এই চক্রের মূল কাজ ছিল, সিম বক্স এর মাধ্যমে বিদেশের কল নরমাল জিএসএম কল-এ পরিণত করা। জঙ্গি সংগঠন সাধারণত এভাবে সিমবক্স ব্যবহার করে। জঙ্গি সংগঠনের যোগ আছে কিনা মামুনের সঙ্গে সেই বিষয়ে জেরা করা হচ্ছে। মামুন, ইরশাদ ও রণজিৎ এই তিন ধৃতকে আট দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ARPITA HAZRA

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: