IPL 2020: র‍্যাকেট হাতে হেডমাস্টার ম্যাকালাম, নাইটদের অভিনব ফিল্ডিং ক্লাস

IPL 2020: র‍্যাকেট হাতে হেডমাস্টার ম্যাকালাম, নাইটদের অভিনব ফিল্ডিং ক্লাস

কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর ট্রেনিং সেশনে ক্রিকেটারদের অভিনব ফিল্ডিং প্রাক্টিস করালেন তিনি।

কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর ট্রেনিং সেশনে ক্রিকেটারদের অভিনব ফিল্ডিং প্রাক্টিস করালেন তিনি।

  • Share this:
    #কলকাতা: ক্যাচিং প্রাক্টিস তো সব কোচই করান। কিন্তু এমনভাবে ক'জন ফিল্ডিংয়ের ট্রেনিং দেন! ক্রিকেট মাঠে টেনিস র‍্যাকেট নিয়ে নেমে পড়লেন কেকেআরের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর ট্রেনিং সেশনে ক্রিকেটারদের অভিনব ফিল্ডিং প্রাক্টিস করালেন তিনি। দলের ক্রিকেটারদের ক্যাচিং স্কিল দেখে নিতে সাহায্য নিলেন টেনিস র‍্যাকেট-এর। কেকেআরের সেই অভিনব ক্যাচিং প্র্যাকটিসের ভিডিও শেয়ার করা হল। আর তার নিচে ক্যাপশনে লেখা হল- ম্যাকালাম যা হাতের সামনে পাচ্ছেন সেটাই ক্রিকেটারদের দিকে ছুড়ে মারছেন।

    ১১ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নামবে কলকাতা। তার আগেই অনুশীলনের একঘেয়েমি কাটাতে নতুন ভাবনা নিয়ে হাজির কেকেআরের হেড কোচ ম্যাকালাম। তিনি হরভজন সিং, আন্দ্রে রাসেলের টেনিস র‍্যাকেট -এর মাধ্যমে বল ছুড়ে ফিল্ডিংয়ের নতুন পাঠ দিলেন। ক্যারিবিয়ান তারকা রাসেল একটি ক্যাচ ফস্কেও দিলেন। যা নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসিও হল। তবে রাসেল পরের ক্যাচ ধরতেই হাততালি দিয়ে ওঠেন দলের ক্রিকেটাররা। একটা সময় কেকেআরের হয়ে খেলেছেন তিনি। এমনকী আইপিএলের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচে ধুন্ধুমার ব্যাটিং করে রাতারাতি তারকা হয়ে গিয়েছিলেন। তার জন্যই আইপিএলের এই জনপ্রিয়তা, এমনটা অনেকেই অস্বীকার করতে পারবেন না। সেই তিনিই এখন কেকেআরের হেড কোচ।

    চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে কেকেআর। স্পিনারদের অ্যাডভান্টেজ থাকে চিপকে। তাই প্রথম ম্যাচ থেকেই হরভজন, শাকিব আল হাসানের স্পিনের ভেলকি থাকবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। দুবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআর এবারও ট্রফি জয়ের জন্য মরিয়া। ২০১৪ সালে শেষবার গৌতম গম্ভীরের ক্যাপ্টেন্সিতে আইপিএল জিতেছিল কেকেআর। তারপর থেকেই তৃতীয় জয়ের সন্ধানে তারা। গত বছর আরবে আয়োজিত আইপিএলে প্লে-অফের টিকিট পায়নি কেকেআর। ইয়ন মরগানের দল গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গিয়েছিল। সেই আক্ষেপ এবার সুদে-আসলে পুষিয়ে নিতে চাইছে কলকাতার শিবির।

    Published by:Suman Majumder
    First published: