পেটে বিঁধে ছুরি, পড়ছে না এক ফোঁটাও রক্ত, বৃদ্ধার ঘটনায় তাজ্জব ডাক্তাররা!

পেটে বিঁধে ছুরি, পড়ছে না এক ফোঁটাও রক্ত, বৃদ্ধার ঘটনায় তাজ্জব ডাক্তাররা!
প্রতীকী ছবি

তিনি বর্তমানে ভালোই আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের একজন বলেন, ১৮ সেন্টিমিটার ছুরি পুরোটাই তাঁর শরীরের ভিতরে ছিল। তাঁকে যখন ভর্তি নেওয়া হয়, তখন তাঁর রক্তচাপ, রক্তের পরিমাণ ও নিওরোলোজিক্যাাল পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল।

  • Share this:

#সুইৎজারল্যান্ডে: বাড়ির বাগানের পরিচর্যা করতে গিয়ে পা ফস্কে পড়ে গেলেন সুইৎজারল্যান্ডের মহিলা। পেটে ঢুকল ছুরি। কিন্তু একটুর জন্য বেঁচে গেলেন তিনি। ১৮ সেন্টিমিটারের ছুরি ঢুকে গেলেও বের হল না এক ফোঁটা রক্ত!

ইমারজেন্সিতে হঠাৎই পেটে ছুরি ঢোকা অবস্থায় ঢোকেন এক মহিলা। যা দেখে কার্যত হকচকিয়ে যান সেখানকার কর্মীরা। সাধারণত টিভির পর্দায় বা সিনেমায় দেখা যায় পেটে ছুরি ঢুকল মানেই মৃত্যু! কিন্তু এক্ষেত্রে একেবারেই তেমন কিছু ঘটেনি। যদিও পেটে ছুরি ঢুকেছে!

ঘটনার সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। বাড়ির বাগানের কাজ করতে গিয়ে পড়ে যান এক মহিলা। নিচে ছুরি রাখা ছিল। যার উপরে তিনি পড়েন। ফলে তা সরাসরি এবং সোজাসুজি পেটে ঢুকে যায়। কিন্তু ছুরি ঢোকার পর কোনও রক্ত বের হয়নি তাঁর শরীর থেকে। ওই মহিলা সেই অবস্থাতেই হাসাপাতালে ছোটেন।


EJVES ফোরাম থেকে বিষয়টি নিয়ে ট্যুইট করে জানানো হয়। দেখা যায়, পেটে ছুরি ঢুকে, কিন্তু ব্যাপারটি ঠিক কী, তা দেখে বোঝা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে ফলস কিছু ঢুকে আছে।

স্থানীয় রিপোর্ট থেকে জানা যায়, চিকিৎসকরা প্রথমে কম্পিউটারে ওই মহিলার টোমোগ্রাফি ও অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করেন। দেখা যায়, খুবই তীক্ষ্ণ একটি ছুরি অ্যাবডোমেনে আটকে আছে। স্টমাক, ডুয়োডেনাম, L4-L5 বাঁদিকের ভারটেব্রি ও অন্যান্য অঙ্গ আঘাত পায়।

এর সঙ্গেই ধমনীতেও আঘাত লাগে, যা হার্টের সঙ্গে যুক্ত। এই ধরনের আঘাত গুলি করলে বা ছুরি ঢুকলে হয়ে থাকে এবং এমন হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আহতের মৃত্যু হয়।

এই বিষয়ে একটি রিপোর্টে আনিয়া রাসকা নামের এক চিকিৎসক লিখেছেন, এই ধরনের আঘাত খুবই কম দেখা যায় এবং এতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে তেমন হয়নি। তিনি বর্তমানে ভালোই আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের একজন বলেন, ১৮ সেন্টিমিটার ছুরি পুরোটাই তাঁর শরীরের ভিতরে ছিল। তাঁকে যখন ভর্তি নেওয়া হয়, তখন তাঁর রক্তচাপ, রক্তের পরিমাণ ও নিওরোলোজিক্যাাল পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। এবং প্রত্যেকটা অঙ্গ প্রত্যঙ্গে গভীর আঘাত ছিল। তাই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছুরি বের করতে অ্যাবডোমেনে অস্ত্রোপচার করা হয়, কিন্তু তখনও কোনও রক্ত বের হয়নি!

গার্গী দাস

Published by:Raima Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর