পোষ্যকে বাঁচাতে ৩৫০ পাউন্ডের ভাল্লুকের মুখে ঘুষি মারলেন ব্যক্তি !

পোষ্যকে বাঁচাতে ৩৫০ পাউন্ডের ভাল্লুকের মুখে ঘুষি মারলেন ব্যক্তি !

ওই সময়ে তাঁর মাথায় শুধু ছিল একটাই চিন্তা- সন্তানসম বাডিকে বাঁচাতে হবে

ওই সময়ে তাঁর মাথায় শুধু ছিল একটাই চিন্তা- সন্তানসম বাডিকে বাঁচাতে হবে

  • Share this:

#ক্যালিফোর্নিয়া: নিজের পোষ্য, নিজের সব চেয়ে প্রিয় বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে ভাল্লুক (Bear)। যা দেখে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভাল্লুকের মুখে সজোরে ঘুষি মারলেন ব্যক্তি। বাঁচালেন পোষ্যকে (Pet)। আর নিজের জীবন বিপদে ফেলে পোষ্যকে বাঁচানো, তার প্রতি ভালোবাসার এই খবর ভাইরাল হল সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media)।

পোষ্যর প্রতি ভালোবাসা, তার যত্ন নেওয়া বা তাকে আদর দেওয়ার এমন অনেক গল্পই সামনে আসে। অনেকে নিজের জীবন পোষ্যর সঙ্গেই কাটিয়ে দেন। অনেকে আবার পোষ্যকে নিজের সন্তানের মতোই দেখেন। শুধু পোষ্য নয়, পশুপ্রেম বা জীবে প্রেমেরও হাজারও গল্প সামনে আসে প্রতি দিন। তেমন সব গল্পের মতোই এক গল্প ক্যালিফোর্নিয়ার (California) কেলাব বেনহামের।

ক্যালিফোর্নিয়ার গ্রাস ভ্যালিতে বাড়ি কেলাবের। তাঁর সঙ্গেই থাকে পোষ্য বাডি। একদিন তিনি শুনতে পান তাঁর বাগান থেকে অদ্ভুত একটা আওয়াজ আসছে। তিনি গিয়ে দেখেন, একটি বিরাট আকারের ভাল্লুক বাডিকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি দেখা মাত্রই ভাল্লুকটির ঘাড় ধরে তাকে ঘুষি মারতে শুরু করেন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভাল্লুকটি বাডিকে ছাড়ে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ঘুষি মারতে থাকেন!

CBS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেলাব জানান, ওই সময়ে তাঁর মাথায় শুধু ছিল একটাই চিন্তা- সন্তানসম বাডিকে বাঁচাতে হবে। তিনি তাই দৌড়ে গিয়ে ভাল্লুকটাকে মারতে শুরু করেন। ওর হাত থেকে সন্তানসম বাডিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এই ঘটনায় যে তাঁর নিজের জীবন বিপন্ন হতে পারে, সে কথা সেই মুহূর্তে মাথাতেই আসেনি বলে জানিয়েছেন কেলাব!

তিনি আরও বলেন, ভাল্লুকের মুখ থেকে বাডিকে বাঁচানোর পর তড়িঘড়ি ওকে নিয়ে হাসপাতালে যান তিনি। সেখানে ওর সার্জারি হয়। ওর মুখে ও চোখের চারপাশে আঘাত করেছে ভাল্লুকটা। সেখানে স্টিচ দিতে হয়।

কেলাবের খবর সামনে আসতেই নেটিজেনদের একাংশ তাঁর প্রশংসা শুরু করেন। অনেকেই তাঁর সাহসের তারিফও করেছেন।

নিজের জীবন বাজি রেখে পোষ্যকে বাঁচানোর ঘটনা এর আগেও দেখা গিয়েছে। গত মাসেই নিজের পোষ্যকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দেন এক ৭৪ বছরের ব্যক্তি। সেই ভিডিও ভাইরালও হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর