corona virus btn
corona virus btn
Loading

অর্থনৈতিক মন্দায় ধুঁকছে ইউরোপ!‌ আমেরিকায় প্রতিদিন বাড়ছে বেকারের সংখ্যা

অর্থনৈতিক মন্দায় ধুঁকছে ইউরোপ!‌ আমেরিকায় প্রতিদিন বাড়ছে বেকারের সংখ্যা

এসবের পিছনে লকডাউন ও করোনা ভাইরাসের প্রভাবকে দোষ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা‌

  • Share this:

#‌নয়া দিল্লি:‌ করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করতে গিয়ে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় ধুঁকছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকা। শেষ ত্রৈমাসিকে ইউ–এর ঘোষিত তথ্য অনুসারে ইউরোপীয় দেশগুলির জিডিপি তলানিতে এসে পৌঁছে গিয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতি ৩.‌৫ শতাংশ বহরে কমেছে। জার্মানির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, বেকারের সংখ্যা সেই দেশে এপ্রিল মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩.‌২ শতাংশ। যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক আরও বেশি করে বন্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি বিশেষ পাল্টাবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্পেনের অর্থনীতির হাল খারাপ হয়েছে ৫.‌২ শতাংশ। ফ্রান্সের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাটা ৬ শতাংশ। ফরাসিদের অবস্থাও খুবই খারাপ। সরকারিভাবে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ সাল থেকে যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তাতে শেষ ২৫ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে খারাপ অবস্থা।

অন্য দিকে একইরকম খারাপ অবস্থায় রয়েছে আমেরিকাও। মার্কিন শ্রম মন্ত্রক জানিয়েছে সম্প্রতি আরও ৩৮ লক্ষ মানুষ কাজ হারানোর তালিকায় নিজেদের নাম নথিভূক্ত করেছেন, যার ফলে মোট সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটিতে। মানে দেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ কর্মহীনতায় ভুগছেন। বৃহস্পতিবার ফেডেরাল রিজার্ভের পক্ষ থেকে আরও কিছু অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়া সংস্থাকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

এসবের পিছনে লকডাউন ও করোনা ভাইরাসের প্রভাবকে দোষ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা‌। বলছেন, ইউরোপের একাধিক দেশ, যেমন স্পেন, ফ্রান্স ইতালিতে লকডাউনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রথমত এই দেশগুলির বিশেষ পর্যটন শিল্পে তেমন কোনও বাণিজ্য নেই বললেই চলে। স্বাভাবিকভাবে তেলের চাহিদাও অনেকটা পড়ছে, এনার্জি সেক্টরের চাহিদাও নেই। ইউরোপীয় গাড়ি তৈরির কারাখানাগুলি আগেই ধুঁকছিল, এখন মাছি তাড়াচ্ছে বলা চলে।

ইসিবির প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইউরোপ যে অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়েছে তা এককথায় অভূতপূর্ব!‌ গোটা ইউরোপের জিডিপির হিসাব করলে, তা এই আর্থিক বর্ষে ১২ শতাংশ পর্যন্ত পড়তে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।

First published: May 1, 2020, 10:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर