• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Hasan Azizul Huq : স্তব্ধ কলম, চলে গেলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক

Hasan Azizul Huq : স্তব্ধ কলম, চলে গেলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক

Hasan Azizul Huq: হাসান আজিজুল হক (১৯৩৯-২০২১)

Hasan Azizul Huq: হাসান আজিজুল হক (১৯৩৯-২০২১)

প্রয়াত প্রখ্যাত সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক (Hasan Azizul Huq passes away)

  • Share this:

    ঢাকা : পাতাঝরা হেমন্তকে আরও বিবর্ণ করে চলে গেলেন ‘সমুদ্রের স্বপ্ন, শীতের অরণ্য’-র স্রষ্টা৷ প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক (Hasan Azizul Huq passes away) ৷ স্থানীয় সময় অনুযায়ী রাত ৯ টায় বাংলাদেশের রাজশাহীতে নিজের বাসভবনে তিনি প্রয়াত হন৷ তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া দুই বাংলার সাহিত্যমহলে৷

    আজিজুলের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত বাংলার বর্ধমানের যবগ্রামে৷ ১৯৪৭-এ বাবা মায়ের সঙ্গে তিনিও চলে যান ওপার বাংলার খুলনায়৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করেন ১৯৬০ সালে৷ ১৯৭৩ থেকে ২০০৪ সাল অবধি, দীর্ঘ দিন তিনি দর্শনশাস্ত্র অধ্যাপনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে৷

    আরও পড়ুন : ঈশ্বর ও ভাগ্য বলে কিছুই হয় না! কেন তাঁর বইয়ে একথা লিখেছিলেন স্টিফেন হকিং?

    তাঁর কলম উহার দিয়েছে একের পর এক কালজয়ী গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ৷ ১৯৬৪ সলে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ 'সমুদ্রের স্বপ্ন, শীতের অরণ্য'। প্রথম গল্পের নাম ‘শকুন’৷ তাঁর অন্যান্য কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’, ‘নামহীন গোত্রহীন’, ‘পাতালে, হাসপাতালে’, ‘অপ্রকাশের ভার’, ‘রাঢ়বঙ্গের গল্প’ এবং ‘মা মেয়ের সংসার’৷ পাশাপাশি, পাঠকের মনে অনুরণিত হতে থাকে তাঁর কলম থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়া 'তৃষ্ণা',  'উত্তরবসন্তে',  'বিমর্ষ রাত্রি, প্রথম প্রহর', 'পরবাসী', 'আমৃত্যু আজীবন',  'জীবন ঘষে আগুন', 'খাঁচা',  'ভূষণের একদিন',  'ফেরা', ' মন তার শঙ্খিনী', 'মাটির তলার মাটি', 'শোণিত সেতু', 'ঘরগেরস্থি', 'সরল হিংসা', 'খনন', 'সমুখে শান্তির পারাবার', 'বিধবাদের কথা' 'সারা দুপুর' ও 'কেউ আসেনি'। পাঠকদের মননের সঙ্গী হয়েছে তাঁর আত্মজীবনী ‘ফিরে যাই ফিরে আসি’ এবং ‘উঁকি দিয়ে দিগন্ত’৷

    আরও পড়ুন : চুপিসারে বিয়েটা সেরে ফেললেন নোবেলজয়ী পাকিস্তানি কন্যা মালালা ইউসুফজাই

    কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য হাসান আজিজুল সম্মানিত হয়েছেন ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’, ‘একুশে পদক’ এবং ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’-এ৷ ২০০৬ সালে প্রকাশিত ‘আগুনপাখি’ উপন্যাসের জন্য ২০০৮-এ সম্মানিত হন ‘আনন্দ পুরস্কার’-এ৷  হিন্দি, ইংরেজি ছাড়াও তাঁর রচনা অনূদিত হয়েছে রুশ, চেক এবং জাপানি ভাষায়৷

    আরও পড়ুন : চিনের ক্রমাগত হুমকির মধ্যেই তাইওয়ান সফরে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা

    গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি৷ অগাস্ট মাসে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন দু’ সপ্তাহের বেশি৷ কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহীতে৷

    নিজের শহর থেকেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন তিনি৷ রেখে গেলেন তাঁর সাহিত্যভাণ্ডারের অসংখ্য মণিমুক্তো৷ অগণিত পাঠকের জন্য৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: