• Home
  • »
  • News
  • »
  • india-china
  • »
  • পূর্ব লাদাখে এখনও ৪০ হাজার সেনা! সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ইচ্ছে নেই চিনের

পূর্ব লাদাখে এখনও ৪০ হাজার সেনা! সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার ইচ্ছে নেই চিনের

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহ পড়তে না পড়তেই পূর্ব লাদাখের তাপমাত্রা প্রায় শূন্য ডিগ্রির কাছাকাছি চলে গিয়েছে৷ যা চলবে এপ্রিল পর্যন্ত৷ এই অঞ্চলেই প্রায় ৫০ হাজার ভারতীয় সেনা সমসংখ্যক চিনা সেনার বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ আর এই কারণেই লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতিকে সিয়াচেনের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ৷

অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহ পড়তে না পড়তেই পূর্ব লাদাখের তাপমাত্রা প্রায় শূন্য ডিগ্রির কাছাকাছি চলে গিয়েছে৷ যা চলবে এপ্রিল পর্যন্ত৷ এই অঞ্চলেই প্রায় ৫০ হাজার ভারতীয় সেনা সমসংখ্যক চিনা সেনার বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ আর এই কারণেই লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতিকে সিয়াচেনের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ৷

  • Share this:

    #লেহ: সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বন্ধ করার কোনও ইতিবাচক ইচ্ছে নেই চিনের! লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিন সেনা একের পর এক বৈঠকের মাধ্যমে সেনার পিছু হঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল৷ কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ৪০ হাজার চিন সেনা রীতিমতো ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে৷ যার নির্যাস, সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কোনও সদিচ্ছা চিনের নেই বলেই জোরাল ইঙ্গিত৷

    সংবাদ সংস্থা ANI-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে সেনা সরানোর প্রতিশ্রুতি ভারতীয় সেনার সঙ্গে বৈঠকে দিয়েছিল চিন৷ কিন্তু পিপলস লিবারেশন আর্মির বর্তমান গতিবিধি বলছে, চিন সেই প্রতিশ্রুতি পালন করছে না৷ সরকার ও সেনা স্তরে একের পর এক বৈঠকের পরেও ৪০ হাজার সেনাকে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় মোতায়েন করে রেখেছে চিন৷

    সূত্রের খবর, ৪০ হাজার সেনার পাশাপাশি একাধিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করে রেখেছে ওই এলাকায়৷ রয়েছে একাধিক কামানও৷ সব ভারতের দিকে নিশানা করা৷

    এর আগে গত ৬ জুলাই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সীমান্ত সংঘাত নিয়ে কথা বলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে৷ সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে খোলাখুলি কথা হয় ডোভাল ও ওয়াং-এর৷ দুজনের কথায় ঠিক হয় যে, সামীন্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখবে দুপক্ষই এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ নিজেদের ভিন্ন চিন্তাভাবনা কখনই বিরোধিতা তৈরি করবে না৷

    এই ফোনের পর গালওয়ানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে ভারত ও চিন৷ এবং নিজেদের সেনা পিছিয়ে নেয়৷ ডোভাল ও ওয়াংয়ের সেই আলোচনায় ঠিক হয়, সীমান্তে শান্তি বিঘ্নিত হয়, এমন কোনও কাজ করবে না কোনও পক্ষই৷ এমনকী, গালওয়ানে স্থায়ী নির্মাণ ভাঙার প্রতিশ্রুতিও চিন দেয়৷

    চিনা সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত চিনের বিদেশমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী., ৩০জুন ভারত-চিন কম্যান্ডার স্তরের বৈঠকের পরই সীমান্ত শান্তি ফেরানোর জন্য পদক্ষেপ শুরু করেছে চিন৷ ধীরে ধীরে তাদের সেনা সরানোর কাজ শুরু হয়েছে৷

    গালওয়ান, হট স্প্রিং, গোগরা থেকে সেনা সরাতে শুরু করে ভারত ও চিন৷ বাফার জোন তৈরি করতে সেনা সরায় দু’দেশ৷ বিবৃতি দিয়ে জানায় বিদেশমন্ত্রক৷

    কিন্তু চিনের বর্তমান আচরণ, সেই প্রতিশ্রুতি পালনের কোনও সদিচ্ছা নেই বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ বরং সীমান্তে উত্তেজনা জিইয়ে রাখাই চিনের উদ্দেশ্য, তা মোটের উপর স্পষ্ট৷

    Published by:Arindam Gupta
    First published: