Home /News /howrah /
Football Tournament- চোখে একরাশ স্বপ্ন! প্রতিকূলতার বেড়াজাল ভেঙে আমেরিকায় পাড়ি দিতে চলেছে দু'ই কন্যা!

Football Tournament- চোখে একরাশ স্বপ্ন! প্রতিকূলতার বেড়াজাল ভেঙে আমেরিকায় পাড়ি দিতে চলেছে দু'ই কন্যা!

আমেরিকার স্পেশাল অলিম্পিক ফুটবলে গ্রামীণ হাওড়ার জাহিরা ও ইত্তেসামা ।

আমেরিকার স্পেশাল অলিম্পিক ফুটবলে গ্রামীণ হাওড়ার জাহিরা ও ইত্তেসামা ।

আমেরিকায় স্পেশাল অলিম্পিক ফুটবলে গ্রামীণ হাওড়ার দুই কিশোরী

  • Share this:

    #হাওড়া: আমেরিকার মিশিগানের ডেট্রয়েটে জুলাইয়ের শেষে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে স্পেশাল ইউনিফায়েড ফুটবল কাপ-২০২২। এই আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার দু'ই কন্যা৷ এই টুর্নামেন্টের জন্য ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের ১৫ জন সদস্যার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেই ১৫ জনের দলে জায়গা করে নিয়েছেন গ্রামীণ হাওড়ার উলুবেড়িয়া-১ ব্লকের, বহিরা গ্রামের জাহিরা খাতুন ও উদয়নারায়ণপুর ব্লকের খলৎপুরের ইত্তেসমা খাতুন। ইত্তেসমা ও জাহিরার জীবনটা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা। জীবন জুড়ে প্রতিবন্ধকতা। তার মাঝেই উজ্জ্বল স্বপ্ন দেখা। ছোটো থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন ইত্তেসমা ও জাহিরা।

    ইত্তেসমার বাকশক্তি ও শ্রবণগত সমস্যা রয়েছে। জাহিরার জীবন জুড়েও লড়াই। দরিদ্র পরিবারে জন্ম। জাহিরার বাবা, তাঁর মা-কে ছেড়ে চলে যায়। মা পরিচারিকার কাজ করে কোনোরকমে সংসার চালান। এই পরিস্থিতিতে ইত্তেসমা ও জাহিরা দু'ই কন্যারই লড়াইয়ের সঙ্গী হয় উলুবেড়িয়ার আশা ভবন সেন্টার। বর্তমানে দু'জনেই উলুবেড়িয়ার কাঠিলার আশা ভবন সেন্টারের আবাসিক।

    আরও পড়ুন- মানবিকতার নজির হাওড়ায়! দুঃস্থ পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

    আশা ভবন সেন্টারের উদ্যোগেই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা চালিয়ে যাচ্ছে দু'ই লড়াকু কন্যা। পড়াশোনার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির উদ্যোগে নিয়মিত চার ঘণ্টার কঠোর অনুশীলন চালিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করছে জাহিরারা। সে-ই কঠোর অনুশীলন, প্রতিভা ও সর্বোপরি অদম্য ইচ্ছেশক্তিকে সাথে নিয়ে এবার আমেরিকার উদ্দেশ্যে উড়ে যাবে দু'ই কন্যা।

    আরও পড়ুন- সাধু উদ্যোগ! নিজের লেখা বই বিক্রির টাকা, চিকিৎসক তুলে দিলেন এক পাঠশালার উন্নয়নে!

    আশা ভবন সেন্টারের ডিরেক্টর জন মেরি বাড়ুই জানান, "আগামী ২৮ শে জুলাই থেকে ৭ ই অগাস্ট অবধি মিশিগানের ডেট্রয়েট শহরে এই টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। সেখানেই আমাদের প্রতিষ্ঠানের দু'ই ছাত্রী অংশ নেবে।"

    তাঁর কথায়, "এই আনন্দ ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। এভাবেই সমস্ত প্রতিকূলতার বেড়াজালকে ভেঙে ওরা সাফল্যের শিখরে পৌঁছে যাক"। আর আবেগঘন, অশ্রুসজল চোখে ইত্তেসমা, জাহিরারা জানায়, "সকলে না থাকলে আমরা এই জায়গায় পৌঁছতে পারতাম না"।

    Rakesh Maity
    First published:

    Tags: Football, Howrah

    পরবর্তী খবর